স্পেনকে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের শিরোপা এনে দেওয়ার রেশ কাটতে না কাটতেই অনাকাঙ্ক্ষিত এক লড়াইয়ের মুখোমুখি হচ্ছেন দলটির মাঝমাঠের প্রধান ভরসা রদ্রি। পিঠের চোটের কারণে সোমবার অস্ত্রোপচার করাতে হচ্ছে ৩০ বছর বয়সী এই রক্ষণাত্মক মিডফিল্ডারকে। তবে মাঠের বাইরের এই অস্ত্রোপচার কিংবা তাকে ঘিরে দলবদলের গুঞ্জন—কোনো কিছু নিয়েই চিন্তিত নন ম্যানচেস্টার সিটির নবনিযুক্ত কোচ এঞ্জো মারেস্কা।
বিশ্বকাপের পুরো টুর্নামেন্টে কোনো গোল কিংবা অ্যাসিস্ট না করলেও স্পেনের শিরোপা জয়ে রদ্রি ছিলেন অন্যতম প্রধান কারিগর। অসাধারণ পারফরম্যান্সের স্বীকৃতিস্বরূপ টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার ‘গোল্ডেন বল’ নিজের করে নেন ম্যানচেস্টার সিটির এই তারকা। তবে জাতীয় দলের হয়ে এই বড় সাফল্যের বিপরীতে ক্লাব ফুটবলে গত দুটি মৌসুম চোটের সঙ্গেই লড়াই করতে হয়েছে তাকে। ২০২৪-২৫ মৌসুমে অ্যান্টেরিয়র ক্রুসিয়েট লিগামেন্ট (এসিএল) ইনজুরির কারণে দীর্ঘ সময় মাঠের বাইরে থাকার পর, পরবর্তী মৌসুমেও নানা শারীরিক সমস্যায় সিটির হয়ে নিয়মিত খেলতে পারেননি রদ্রি।
বিশ্বকাপে নিজের চেনা ছন্দে ফিরলেও নতুন ক্লাব মৌসুম শুরুর আগে অস্ত্রোপচার করানো ছাড়া আর কোনো উপায় ছিল না। গত শুক্রবার সিটির কোচ হিসেবে প্রথম সংবাদ সম্মেলনে হাজির হয়ে এঞ্জো মারেস্কা বলেন, ‘সোমবার রদ্রির অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হবে। সুস্থ হয়ে ওঠার জন্য তার প্রয়োজনীয় বিশ্রাম ও ছুটির প্রয়োজন রয়েছে। পুনর্বাসন প্রক্রিয়া শেষ করার পরেই সে দলের সঙ্গে যোগ দেবে।’ তবে স্প্যানিশ এই তারকা ঠিক কবে নাগাদ মাঠে ফিরতে পারবেন, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা উল্লেখ করেননি ইতালিয়ান এই কোচ。
এদিকে রদ্রিকে রিয়াল মাদ্রিদে ভেড়ানো নিয়ে ফুটবল অঙ্গনে জোর গুঞ্জন চললেও তা উড়িয়ে দিয়েছেন মারেস্কা। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, বড় মাপের খেলোয়াড়দের নিয়ে সবসময়ই নানা জল্পনা-কল্পনা থাকে, তাই এসব গুঞ্জন তাকে বিন্দুমাত্র ভাবাচ্ছে না। এখন দেখার বিষয়, অস্ত্রোপচার ও পুনর্বাসন প্রক্রিয়া শেষে স্প্যানিশ এই মিডফিল্ডার ঠিক কবে নাগাদ ম্যানচেস্টার সিটির জার্সিতে পুনরায় মাঠে নামেন।





























