জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে ফোনে আড়িপাতা এবং গুপ্তহত্যায় শেখ হাসিনাকে সহযোগিতা করার সরাসরি অভিযোগ
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকার খিলক্ষেত এলাকা হতে এনটিএমসির সাবেক মহাপরিচালক জিয়াউল আহসানকে নিঊমার্কেট থানায় করা হত্যা মামলার পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল গভীর রাতে গ্রেপ্তার করা হয়।ডিএমপি থেকে পাঠানো এক বার্তায় এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
বর্তমানে সাবেক এই সেনা কর্মকর্তাকে পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) হেফাজতে রাখা হয়েছে।
জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে ফোনে আড়িপাতা এবং গুপ্তহত্যায় শেখ হাসিনাকে সহযোগিতা করার সরাসরি অভিযোগ তুলেছিলেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী ও বিরোধী নেতারা।
গত ৬ আগস্ট আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
২০২২ সালের ৫ সেপ্টেম্বর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক আদেশে ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) মহাপরিচালকের (ডিজি) দায়িত্ব দেওয়া হয় মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানকে।
এর আগে, ২০০৯ সালে তিনি র্যাব-২ এর সহ-অধিনায়কের দায়িত্ব পান। একই বছর তিনি লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদে পদোন্নতি পেয়ে র্যাব সদর দপ্তরের গোয়েন্দা শাখার পরিচালক নিযুক্ত হন। পরে ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে তিনি কর্নেল হিসেবে পদোন্নতি পেয়ে র্যাব সদরদপ্তরের গোয়েন্দা শাখার অতিরিক্ত মহাপরিচালকের দায়িত্ব পেয়েছিলেন।
































