অতিরিক্ত দায়িত্ব পেয়ে কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অমান্য করে চেয়ার দখলের অভিযোগে চাকরি থেকে সাময়িক বরাখাস্ত করা হয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তা মো. শাকিল মেরাজকে।
বুধবার (২৮ আগস্ট) বিমানের কর্মকর্তারা জানান, মঙ্গলবার এ সংক্রান্তে একটি চিঠি দেয় বিমান কর্তৃপক্ষ। বিমানের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মো. মতিউল ইসলাম চৌধুরী স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে জানানো হয়, গত ১৪ আগস্ট শাকিল মেরাজকে মহাব্যবস্থাপক জিএসআই দায়িত্বের অতিরিক্ত হিসেবে পরিচালক কর্পোরেট প্লানিং অ্যান্ড ট্রেনিংয়ের দায়িত্ব প্রদান করা হয়। একই তারিখে তিনি ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইওর কাছে যোগদানপত্র দাখলি করেন। ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও ২৫ আগস্টের পর তাকে দায়িত্ব হস্তান্তর বা গ্রহণ করার নির্দেশনা প্রদান করেন। কিন্ত তিনি কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অমান্য করে ১৫ আগস্ট পরিচালক কর্পোরেট প্লানিং অ্যান্ড ট্রেনিং হিসাবে যোগদান পত্র সার্কুলার করেন। তার এমন কর্মকাণ্ড বাংলাদেশ বিমান কর্পোরেশন কর্মচারী (চাকরি) প্রবিধানমালা ১৯৭৯ এর ৫৫ ধারার পরিপন্থী ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এ কারণে তাকে বিমানের চাকরি থেকে ‘সাময়িক বরখাস্ত’ করা হয়েছে।
এ ব্যপারে জানতে চাইলে বিমান কর্মকর্তা শাখিল মেরাজ বলেন, আমাকে বিমানের অতিরিক্ত পরিচালক কর্পোরেট প্লানিং অ্যান্ড ট্রেনিংয়ে দায়িত্ব প্রদান করা হয়। কিন্ত এ পদে অতিরিক্ত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ক্যাপ্টেন ছিদ্দিকুর রহমান। তিনি মূলত ফ্লাইট অপারেশনের দায়িত্ব পালন করার কথা। এ ছাড়া তিনি গণআন্দোলনে পতন হওয়া শেখ হাসিনা সরকারের ঢাকা দক্ষিণ সিটির সাবেক মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপসের আর্শিবাদপুষ্ট। এ কারণে পরিস্থিতির শিকার আমি।
বিমানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অভিযোগ,সম্প্রতি পতন হওয়া শেখ হাসিনা সরকারের মন্ত্রী, এমপি ও রাজনৈতিক নেতার আর্শিবাদপুষ্টরা বিমানের বিভিন্ন শাখায় এখনও সক্রিয়। আওয়ামী সরকারের আর্শিবাদপুষ্টদের দাপটের কাছে এখনও অসহায় সাধারণ কর্মীরা।
































