বৃহস্পতিবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা বলেন, “আমি ব্যক্তিগতভাবে চাই, সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ সংস্কার হোক। ৭০ অনুচ্ছেদ সংস্কার হলে ফ্যাসিবাদী শাসন ব্যবস্থা জেঁকে বসতে পারবে না।”
অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, “৭০ অনুচ্ছেদের কারণে আইন বিভাগ, বিচার বিভাগ ও শাসন বিভাগ প্রধানমন্ত্রীর হাতে চলে গিয়েছিল। এখন আমরা এমন বিচার বিভাগ চাই যে বিচার বিভাগ হবে জনগণের।”
সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের কারণে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সদস্যরা কোনো নীতি নির্ধারণী সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে দলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে স্বাধীনভাবে ভোট দিতে বা ‘ফ্লোর ক্রস’ করতে পারেন না। ওই অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, “কোনো নির্বাচনে কোনো রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরূপে মনোনীত হইয়া কোনো ব্যক্তি সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইলে তিনি যদি-
(ক) উক্ত দল হইতে পদত্যাগ করেন, অথবা
(খ) সংসদে উক্ত দলের বিপক্ষে ভোটদান করেন,
তাহা হইলে সংসদে তাঁহার আসন শূন্য হইবে, তবে তিনি সেই কারণে পরবর্তী কোনো নির্বাচনে সংসদ-সদস্য হইবার অযোগ্য হইবেন না।”
এই অনুচ্ছেদের কারণে জাতীয় সংসদেই পূর্ণাঙ্গ গণতন্ত্র চর্চার সুযোগ থাকছে না বলে অভিযোগ করেন অনেকেই। সে কারণে সংবিধান থেকে ৭০ অনুচ্ছেদ বাদ দেওয়ার দাবি বহু পুরানো।





























