শারদীয় দুর্গা উৎসব উপলক্ষে ভারত সরকারের অনুরোধে অবশেষে বাংলাদেশ থেকে ইলিশ রফতানির প্রথম চালান ৭৩০০ কেজি ইলিশ গেলো ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় আখাউড়া স্থলবন্দর হয়ে ইলিশের চালান পৌঁছে ত্রিপুরার আগরতলায়।
আখাউড়া উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা রওনক জাহান , রফতানি করা মাছগুলোর গুণগত দিক পরীক্ষা করে দেখে। পরে রফতাদিন জন্য ছাড়পত্র দেওয়া হয়।
বন্দরের রাজস্ব কর্মকর্তা ওহিদুজ্জামান খান জানান, দুই দেশের সরকারের উচ্চ পর্যায়ের সিদ্ধান্তক্রমে এই ইলিশ মাছের চালান রফতানি হচ্ছে।
রফতানিকারক প্রতিষ্ঠান স্বর্ণালী এন্টারপ্রাইজের প্রতিনিধি ফারুক আহম্মেদ ও সি অ্যান্ড এফ এজেন্ট মেসার্স আদনান ইন্টারন্যাশনালের সত্ত্বাধিকারী মো. আক্তার হোসেন জানান, হিমায়িত অবস্থায় ইলিশের প্রথম চালানে প্রতিটি কার্টুনে ২০টি করে মাছ রয়েছে। রফতানিকৃত মাছের মধ্যে আকার ভেদে ৮০০ থেকে ১১০০ গ্রাম ওজনের মাছ রয়েছে। প্রতিকেজি ইলিশের রফতানি মূল্য ধরা হয়েছে ১০ ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রতিকেজির দাম ১২০০ টাকা। সেই অনুপাতে প্রতি মেট্রিক টন ইলিশের রফতানি আয় হয়েছে ১০ হাজার মার্কিন ডলার। মাছগুলো রফতানি করছে বিডিএস করপোরেশন ও স্বর্ণালী এন্টার প্রাইজ নামে দুটি প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে বিডিএস করপোরেশন ৩ হাজার কেজি ও স্বর্ণালী এন্টারপ্রাইজ ৪ হাজার ৩১২ কেজি। কিনেছে ভারতের হিমপেক্স ইন্টারন্যাশনাল নামে একটি প্রতিষ্ঠান।
উল্লেখ্য, শারদীয় দুর্গা পূজা উপলক্ষে সারা দেশে ৪৯টি প্রতিষ্ঠানকে ইলিশ রফতানির অনুমোদন দিয়েছে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। তারা আগামী ১৩ অক্টোবরের আগ পর্যন্ত ধাপে ধাপে সারা দেশ থেকে মোট ২৪৫০ টন ইলিশ ভারতে রফতানি করতে পারবে। এর মধ্যে আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ধাপে ধাপে প্রায় ২৫০ টন ইলিশ যাবে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে।




























