পাকিস্তানের বর্তমান সরকার বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক দৃঢ় করতে চায় বলে চিঠিতে উল্লেখ করেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ।
এ প্রসঙ্গে চিঠিতে তিনি বলেন, “আমরা আন্তরিকভাবে বাংলাদেশের সঙ্গে একটি দৃঢ় ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপন করতে চাই। এমন সম্পর্ক, যা আমাদের দুই দেশের জনগণের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন বয়ে আনবে।”
দু’দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক সম্পর্ককে ফের এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বাংলাদেশের অন্তবর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহম্মদ ইউনূসকে এ চিঠি পাঠান পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। আজ সোমবার প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
চিঠিতে শেহবাজ শরিফ বলেন, “আমার বিশ্বাস, এখন আমরা আমাদের দ্বিপাক্ষিক এবং আঞ্চলিক সম্পর্ককে আরও ব্যাপক ও বিস্তৃত পরিসরে নিয়ে যেতে নতুন নতুন ক্ষেত্র অনুসন্ধানের কাজ শুরু করতে পারি। দক্ষিণ এশিয়ার জনগণের সামাজিক-অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য এটি খুবই প্রয়োজন।”
১৯৭১ সালে ৯ মাসের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের মানচিত্র থেকে বিচ্ছিন্ন হয় তৎকালীন পূর্বপাকিস্তান, নতুন নাম নেয় বাংলাদেশ। মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী দল ছিল আওয়ামী লীগ।
২০০৯ সালের নির্বাচনে জিতে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর ’৭১ সালের যুদ্ধাপরাধের বিচার শুরু করে আওয়ামী লীগ। এর জেরে পাকিস্তানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কেরও অবনতি হতে থাকে। এক পর্যায়ে সেই সম্পর্ক সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছায়।
টানা ১৪ বছর শাসনের পর ২০২৪ সালের আগস্টে পতন ঘটে আওয়ামী লীগের। দলটির সভানেত্রী এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশত্যাগে বাধ্য হন। বর্তমানে ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন তিনি।
আওয়ামী লীগের পতনের পর নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহম্মদ ইউনূসকে প্রধান করে ইতোমধ্যে একটি অন্তবর্তী সরকার গঠিত হয়েছে। গত ৮ আগস্ট সরকার গঠিত হওয়ার পর ড. ইউনূসকে শুভেচ্ছাবার্তা জানিয়েছিলেন শেহবাজ শরিফ।





























