আজানের সময় থেকে নামাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত মন্দিরের মাইক, ঢাক-ঢোলসহ যাবতীয় শব্দ বন্ধ থাকে। একই উঠানে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসব পালন করে আসছেন উভয় ধর্মের মানুষ।
মৌলভীবাজারের জুড়ীতে সদর জায়ফরনগর ইউনিয়নের ভৈরবগঞ্জ ভূয়াই বাজারে একই আঙ্গিনায় মসজিদ ও মন্দির। একপাশে ধূপকাঠি অন্যপাশে আতরের সুঘ্রাণ। একপাশে মন্দিরে হিন্দু ধর্মের মানুষ করছে পূজা-অর্চনা, অন্য পাশে মসজিদে মুসলমানরা পড়ছেন নামাজ।
জানা গেছে, ভূয়াই বাজার দুর্গা মন্ডপে মুসলমান ধর্মালম্বীদের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময়সূচী লাগানো রয়েছে। আজানের সময় থেকে নামাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত মন্দিরের মাইক, ঢাক-ঢোলসহ যাবতীয় শব্দ বন্ধ থাকে। একই উঠানে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসব পালন করে আসছেন উভয় ধর্মের মানুষ। উভয় ধর্মের মানুষজন ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রেখে যার যার ধর্ম পালন করছেন।
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের,জুড়ী উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক সিতাংশু শেখর দাস। বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের জায়ফরনগর ইউনিয়ন শাখার সভাপতি, রতীশ চন্দ্র দাস।
ভৈরবগঞ্জ ভূয়াই বাজার পূজা মন্ডপ পরিচালনা কমিটির সভাপতি পীযূষ কান্তি দাস, ভৈরবগঞ্জ ভূয়াই বাজার পূজা মন্ডপ পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক প্রণয় কৃষ্ণ দাস জানান, জুড়ীতে ধর্মীয় সম্প্রীতির এটি একটি উজ্জ্বল নিদর্শন। এখানে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা ছাড়াই দীর্ঘ ৪৪বছর ধরে সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ আছেন দুই ধর্মের মানুষ।
































