উপসাগরীয় অঞ্চলে চলমান উত্তেজনা প্রশমন ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার লক্ষ্যে জোর কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু করেছে কাতার। দেশটির প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুর রহমান বিন জাসিম আল থানি এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান, জর্ডানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আয়মান সাফাদি এবং কুয়েতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ জাররাহ জাবের আল-আহমাদ আল-সাবাহর সঙ্গে পৃথকভাবে ফোনালাপ করেছেন। আল জাজিরার বরাতে এ তথ্য জানা গেছে।
ফোনালাপের সময় আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং সাম্প্রতিক উত্তেজনা নিরসনে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন নেতারা। কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সংলাপ ও কূটনীতির পথ বেছে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা। একই সঙ্গে গত ২০ জুন স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের শর্তাবলি মেনে চলার বিষয়েও তারা গুরুত্বারোপ করেন। এই সমঝোতার মূল লক্ষ্য হলো হরমুজ প্রণালিতে অবাধ নৌচলাচল নিশ্চিত করা এবং সামগ্রিক উপসাগরীয় অঞ্চলে শান্তি বজায় রাখা।
উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র এবং বিভিন্ন আঞ্চলিক শক্তির মধ্যে উত্তেজনার পারদ বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে কাতারের এই কূটনৈতিক সক্রিয়তাকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। উপসাগরীয় অঞ্চলের স্থিতিশীলতা রক্ষায় কাতার ধারাবাহিকভাবে যে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, এই ফোনালাপ তারই ধারাবাহিকতা বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
একই সঙ্গে ২০ জুন স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
সূত্র: গালফ বাংলা






























