মিচেল স্টার্কের বিধ্বংসী বোলিংয়ের সামনে পড়ে বাংলাদেশ তাদের প্রথম ইনিংসে মাত্র ৬৪ রানে অলআউট হয়েছে। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ১৪ রান করেন শরিফুল ইসলাম। তবে ব্যাট হাতে ব্যর্থ হলেও বল হাতে দুর্দান্ত শুরু করেন শরিফুল। দ্বিতীয় সেশনে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়া মিলিয়ে মোট সাতটি উইকেট পতন হয়েছে। চা বিরতির আগে অস্ট্রেলিয়া ৩ উইকেটে ৫০ রান সংগ্রহ করলেও শরিফুলের জোড়া আঘাতে মাত্র ৪১ রানের মধ্যে তিন উইকেট হারিয়ে চাপে পড়েছিল স্বাগতিকরা।
ম্যাচের শুরুতেই তাসকিন আহমেদের বলে ম্যাট রেনশকে স্লিপে তানজিদ হাসান তামিমের ক্যাচ বানান। জেক ওয়েদারাল্ডের পরিবর্তে একাদশে সুযোগ পাওয়া অজি ওপেনার মাত্র ৮ রান করেন। ২২ রানে প্রথম উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া। এরপর অষ্টম ওভারে আক্রমণে এসে শরিফুল ইসলাম ট্র্যাভিস হেডকে ইনসাইড এজে বোল্ড করেন, যিনি ২২ রান করেন। চার বলের ব্যবধানে মার্নাস লাবুশেনকেও ৪ রানে বোল্ড করেন শরিফুল, যা তার ক্যারিয়ারের জন্য বড় ধাক্কা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এরপর স্টিভ স্মিথ ও ক্যামেরন গ্রিন ৭৭ রানের জুটি গড়ে অস্ট্রেলিয়াকে স্বস্তি দিলেও শেষ পর্যন্ত শরিফুলই এই জুটি ভাঙেন। এলবিডব্লিউর আবেদনে আম্পায়ার আউট দিলে স্মিথ রিভিউ নেন, কিন্তু আম্পায়ার্স কলে তাকে মাঠ ছাড়তে হয়। ৭৪ বলে ৬ চারে ৪২ রান করেন স্মিথ। এই উইকেটের মাধ্যমে ১১৮ রানে অস্ট্রেলিয়া তাদের চতুর্থ উইকেট হারায় এবং দলীয় স্কোর একশ পার হওয়ার পাশাপাশি লিড পঞ্চাশ ছাড়িয়ে যায়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ৯ বলে চার রানে বোল্ড হয়ে ক্যারিয়ারটাই হুমকির মুখে পড়ে গেল মার্নাস লাবুশেনের। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এর আগের সেশনে বাংলাদেশ দারুণ বোলিংয়ে অস্ট্রেলিয়াকে চেপে ধরার আভাস দিয়েছিল। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তারপর বল হাতেও বাজিমাত করেন প্রথম ওভারেই।
সূত্র: ঢাকা পোস্ট
































