শনিবার সেন্টার কোর্টে এক ক্লাসিক ম্যাচে ৫টি ম্যাচ পয়েন্ট হাতছাড়া করার পর ৬-২, ৫-৭, ৬-৩ সেটে জয় তুলে নিয়ে উইম্বলডন চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন ২১ বছর বয়সী নসকোভা। ২০১১ সালে পেত্রা কভিতোভার পর তিনিই প্রথম চেক নারী হিসেবে এই শিরোপা জয়ের কৃতিত্ব অর্জন করলেন।
ম্যাচের দ্বিতীয় সেটে ভেঙে পড়ার পর শেষ সেটে নিজের স্নায়ু স্থির রেখে দুর্দান্তভাবে ফিরে আসেন এই নবম বাছাই খেলোয়াড়। ম্যাচ পরবর্তী সাক্ষাৎকারেও নসকোভাকে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়তে দেখা যায়। তিনি বলেন, শারীরিক ও মানসিকভাবে ম্যাচগুলো অত্যন্ত কঠিন ছিল। বিশেষ করে শেষ পয়েন্টটি জেতা কখনোই সহজ নয়।
প্রতিপক্ষ ও দীর্ঘদিনের বন্ধু মুচোভাকে নিয়ে নসকোভা বলেন, কারোলিনা আমাকে খুব কঠিন লড়াইয়ের মুখোমুখি করেছে। আমরা বন্ধু এবং আমি আনন্দিত যে তোমার বিরুদ্ধেই আমার প্রথম গ্র্যান্ড স্ল্যাম ফাইনালটি খেলতে পেরেছি। তুমি একজন লড়াকু খেলোয়াড়। আমরা আজ ইতিহাস গড়েছি এবং আমাদের চেক ভক্তরা এই ফলাফলের জন্য গর্বিত হবে।
এই জয়ের মুহূর্তটি ছিল আরও বেশি আবেগঘন কারণ নসকোভা তার এই সাফল্য উৎসর্গ করেছেন ২০২৪ সালে মারা যাওয়া তার মায়ের স্মৃতির উদ্দেশ্যে। তিনি বলেন, এমন একজন ব্যক্তি আছেন যাকে আমি ধন্যবাদ জানাতে চাই, তিনি আমার মা। তিনি না থাকলে আমি আজ এখানে দাঁড়িয়ে থাকতে পারতাম না। এরপরই তিনি আকাশের দিকে তাকিয়ে চুম্বন ছুড়ে দেন। তিনি আরও বলেন, আমি সাধারণত কাঁদি না, তবে গত দুই সপ্তাহের কঠোর পরিশ্রম সার্থক হয়েছে।
নসকোভার এই আবেগঘন মুহূর্তের সময় রয়্যাল বক্সে বসে থাকা মার্টিনা নাভ্রাতিলোভা এবং প্রিন্সেস অফ ওয়েলসের চোখেও জল দেখা যায়। পরাজিত মুচোভাও নিজের কান্না ধরে রাখতে পারেননি। মুচোভা বলেন, শব্দ খুঁজে পাওয়া কঠিন। আমি আমার বন্ধু লিন্ডসাকে অভিনন্দন জানাই। তুমি খুব তরুণ এবং তোমার খেলার ধরন অবিশ্বাস্য। তুমি এই জয় পাওয়ার যোগ্য। আমি কিছুটা হতাশ, তবে আমি আবারও লড়াই করব এবং শিরোপা জিততে চাই।




























