দক্ষিণ সুদানের দক্ষিণ কর্ডোফান অঞ্চলে জাতিগত সংঘর্ষে চার শিশুসহ মোট ২৭ জন নিহত হয়েছেন। স্থানীয় একটি চিকিৎসা বিষয়ক সংগঠন, সুদান ডক্টরস নেটওয়ার্ক, এই ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডের তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সংগঠনটির ভাষ্যমতে, দক্ষিণ কর্ডোফানের ও তোরো উপজাতি অধ্যুষিত এলাকা কারদুদ এবং আবু হামামাতে এই হামলা চালানো হয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের জন্য তারা সুদান পিপলস লিবারেশন মুভমেন্ট (SPLM-N) নামক বিদ্রোহী গোষ্ঠীকে দায়ী করেছে। মূলত চলতি বছরের শুরু থেকেই এসপিএলএম-এন-এর সঙ্গে নুবান পর্বতমালার সংখ্যালঘু ও তোরো উপজাতির মধ্যে তীব্র লড়াই চলছিল।
সুদান ডক্টরস নেটওয়ার্ক জানিয়েছে, জমি সংক্রান্ত বিরোধ থেকে এই জাতিগত সংঘাতের সূত্রপাত। এটি সুদানে চলমান গৃহযুদ্ধের সাথে নতুন একটি মাত্রা যোগ করেছে, যেখানে ২০২৩ সালের এপ্রিল মাস থেকে দেশটির সেনাবাহিনী এবং আধা-সামরিক বাহিনী র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ)-এর মধ্যে লড়াই চলছে।
চিকিৎসক দলটি আরও জানায়, এই হামলার ফলে স্থানীয় অনেক বাসিন্দা আবু হিতান গ্রাম এবং দক্ষিণ কর্ডোফানের বৃহত্তম শহর কাদুগলির দিকে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন। ফেসবুকের মাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে সুদান ডক্টরস নেটওয়ার্ক এই ঘটনাকে আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছে। তারা বিশেষ করে নারী ও শিশুদের মতো নিরস্ত্র বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু করার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।
উল্লেখ্য, এসপিএলএম-এন হলো প্রতিবেশী দক্ষিণ সুদানের ক্ষমতাসীন দল এসপিএলএম-এর একটি বিচ্ছিন্ন অংশ। সংগঠনটির নেতা আবদেল আজিজ আল-হিলু তার যোদ্ধাদের আরএসএফ-এর সাথে জোটবদ্ধ করেছেন এবং আরএসএফ-নেতৃত্বাধীন সমান্তরাল সরকারের সাথে যোগ দিয়েছেন।





























