পানিসম্পদ মন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, ‘সংখ্যালঘু’ বলতে কোনো ধারা, কথা বা শব্দ ব্যবহার করে নিজেদের খাটো করা উচিত নয়; এতে জাতি খাটো হয়। শুক্রবার বিকেলে লক্ষ্মীপুরে শ্যাম সুন্দর জিউর আখড়ায় জন্মাষ্টমী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। অনুষ্ঠান শেষে তিনি ফিতা কেটে জন্মাষ্টমীর শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন, যা জেলা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
মন্ত্রী বলেন, পাহাড়ে যারা থাকেন তারা পাহাড়ি বা আদিবাসী। হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান এবং মুসলমানসহ আমরা সবাই বাংলাদেশি। তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘আমরা বাংলাদেশি এবং বাংলাদেশ প্রথম’। ঐক্যবদ্ধ থাকার জন্য এই আহ্বানটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় বলে তিনি মন্তব্য করেন।
শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি আরও বলেন, তারা বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি জড়িত। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক আদর্শের ধারাবাহিকতায় তারা দেশ পরিচালনা করছেন। সরকার গঠনের মাত্র ছয় মাসের উল্লেখ করে তিনি বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন ও ১৭ ফেব্রুয়ারি শপথ নেওয়ার পর এই অল্প সময়ে সমাজে সব ন্যায় প্রতিষ্ঠা বা উন্নত জীবন নিশ্চিত করার দাবি করার সুযোগ নেই। তবে তাদের উদ্যোগ মহৎ এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে তারা একটি মানবিক বাংলাদেশ গঠনের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন।
শ্রী কৃষ্ণের জন্মের প্রেক্ষাপট বর্ণনা করে মন্ত্রী বলেন, কংসের অত্যাচারী কারাগারেই শ্রী কৃষ্ণের জন্ম হয়েছিল। সমাজের অত্যাচার ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলে শান্তি ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই এই দিনটি সনাতনী ধর্মাবলম্বীদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি স্বপন চন্দ্র দেবনাথের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শিমুল সাহার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার মো. আবু তারেক, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মেজবা উল আলম ভূঁইয়া, বাফুফে সহ-সভাপতি ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী হ্যাপি, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ক্যাথোয়াইপ্রু মারমা, জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শৈবাল কান্তি সাহা, সাধারণ সম্পাদক মিলন মন্ডল, জেলা আইনজীবী ঐক্য পরিষদের সভাপতি কৃষ্ণ দুলাল দাস, জন্মাষ্টমী উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক মাখন লাল সাহা ও সদস্য সচিব উত্তম দেবনাথ প্রমুখ।
এখন পর্যন্ত তার রাজনৈতিক আদর্শের ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশে জাতীয়তাবাদের রাজনীতির মাধ্যমে আমরা দেশ পরিচালনা করছি এবং ঐক্যবদ্ধ হয়েছি।’তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের এই বাংলাদেশ, মাত্র কয়দিন হলো আমরা নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পরিচালনা করছি, ৬ মাস।
আমরা এই কথা বলার কোনো সুযোগ নেই যে, সমাজে আমরা সবকিছু এই ৬ মাসের মধ্যে খুব উন্নত জীবনযাপন, সকল অত্যাচার-নির্যাতন, ন্যায় প্রতিষ্ঠা, ওই অত্যাচার-নির্যাতনের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে সম্পূর্ণ ন্যায় প্রতিষ্ঠা এখনই করে ফেলেছি।





























