পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার তুষখালী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের শাখারিকাঠী গ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (২১ আগস্ট) দুপুরের দিকে এই সংঘর্ষে উভয় পক্ষের মোট ছয়জন আহত হয়েছেন। আহতরা হলেন মোফাজ্জেল হোসেন জমাদ্দার (৫০), মো. মাসুম (৩৫), মো. স্বপন আকন (৪০), তাসলিমা আকন (৩০), রুনু বেগম (৪৫) এবং সেলিনা বেগম (৫০)।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শাখারিকাঠী গ্রামের খালেক জোমাদ্দার ও হেমায়েত আকন গংয়ের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলছে এবং বিষয়টি নিয়ে আদালতে মামলাও চলমান রয়েছে। বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে স্থানীয়ভাবে একাধিকবার সালিশ বৈঠক হলেও কোনো সুরাহা হয়নি। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, বিরোধপূর্ণ জমিটি খালেক জোমাদ্দার গংয়ের দখলে ছিল এবং কয়েক দিন আগে তারা সেখানে ধানের চারা রোপণ করেছিলেন। শুক্রবার সালিশ চলাকালে হেমায়েত আকন গং জমিটি নিজেদের দাবি করে রোপণ করা চারা তুলে ফেলতে গেলে দুই পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়, যা পরবর্তীতে সংঘর্ষে রূপ নেয়।
আহত রুনু বেগমের অভিযোগ, পুলিশের উপস্থিতিতে সালিশ বৈঠক চলছিল। কিন্তু পুলিশ কিছু সময়ের জন্য ঘটনাস্থল থেকে সরে গেলে প্রতিপক্ষ তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। সংঘর্ষে আহতদের উদ্ধার করে মঠবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। এদের মধ্যে মোফাজ্জেল হোসেন জমাদ্দারের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেছেন। বাকিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
সংঘর্ষের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করলেও পুলিশের উপস্থিতিতে হামলার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন মঠবাড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রবিউল ইসলাম। তিনি দাবি করেন, সংঘর্ষের খবর পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। এর আগে পুলিশের উপস্থিতিতে কোনো সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেনি বলে তিনি জানান। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে-৬ জন আহত হয়েছে বলে জানা গেছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তাদের শরীরের বিভিন্ন স্থান, মাথা ও হাতে আঘাত লাগে।
সূত্র: ডেইলি বাংলাদেশ































