বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির হাতে ন্যস্ত করার বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেনি। সোমবার দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ সংক্রান্ত খবর প্রকাশিত হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়। তবে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এই তথ্য নাকচ করে দিয়েছেন।
একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের সাথে আলাপকালে শিক্ষামন্ত্রী স্পষ্ট করেন যে, ম্যানেজিং কমিটির হাতে নিয়োগের ক্ষমতা দেওয়ার বিষয়ে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। তিনি জানান, বর্তমানে ৭৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া প্রচলিত নিয়মেই সম্পন্ন করা হবে। পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের সাথে আলোচনার মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়ার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এর আগে গত ৩ আগস্ট সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সম্মেলনকক্ষে এনটিআরসিএ-এর সার্বিক কার্যক্রম নিয়ে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন ছাড়াও মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক এবং এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত দায়িত্ব) আলিফ রুদাবাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সভার কার্যবিবরণী থেকে জানা যায়, এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান সভায় অবহিত করেন যে, ‘বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০০৫’ এবং ‘বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা গ্রহণ ও প্রত্যয়ন বিধিমালা, ২০০৬’ অনুযায়ী প্রতি পঞ্জিকা বর্ষে অন্তত একবার পরীক্ষা গ্রহণের নির্দেশনা রয়েছে। উল্লেখ্য, এনটিআরসিএ সর্বশেষ ২০২৩ সালে নিয়োগ পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছিল। সেই ধারাবাহিকতায় এখন ১৯তম এনটিআরসিএ শিক্ষক (প্রবেশ পর্যায়) নিবন্ধন পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রস্তুতি চলছে।
আজ সোমবার দেশের একাধিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
৭৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগ হবে প্রচলিত নিয়মে।
এর আগে গত ৩ আগস্ট সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সম্মেলনকক্ষে এনটিআরসিএর সার্বিক কার্যক্রম নিয়ে আয়োজিত সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সূত্র: Dainik Amader Shomoy






























