ঢাকাই সিনেমার কিংবদন্তি অভিনেতা নায়করাজ রাজ্জাক পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছেন নয় বছর আগে। আজ তার মৃত্যুবার্ষিকী। তবে এই বিশেষ দিনটি ঘিরে চলচ্চিত্রাঙ্গনে নেই কোনো বড় ধরনের আয়োজন বা শিল্পী সমিতির পক্ষ থেকে কোনো উদ্যোগ।
শিল্পী সমিতির এমন নীরবতার কারণ জানতে চাইলে সাধারণ সম্পাদক জয় চৌধুরী বলেন, 'আমরা এর আগেও সমিতির সদস্য, যারা পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছেন তাদের নিয়ে এককভাবে মিলাদের আয়োজন করেছি। কিন্তু দেখা গেছে, আয়োজনে দাওয়াত দেওয়া সত্ত্বেও অনেকেই আসতে চান না। তাই গত বছর থেকে বিশেষভাবে একটি দিন ধার্য করে প্রয়াত শিল্পীদের পরিবারকে দাওয়াত দিয়ে সম্মিলিতভাবে একটি দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করছি। এবারও সেটাই করার ইচ্ছা আছে। এককভাবে করার পরিকল্পনা নেই।'
চলচ্চিত্র পরিবারে কোনো আয়োজন না থাকলেও নায়করাজের পরিবার তাকে স্মরণ করছে শ্রদ্ধার সাথে। রাজ্জাকের ছোট ছেলে অভিনেতা খালিদ হোসেন সম্রাট জানান, পারিবারিকভাবে তারা দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করেছেন। সম্রাট বলেন, 'আব্বা ছাড়া দেখতে দেখতে নয়টি বছর চলে গেল। যেহেতু নায়করাজ আমার বাবা, স্বাভাবিকভাবেই পারিবারিকভাবে তাকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়। কিন্তু এর বাইরে চলচ্চিত্র পরিবার বা ইন্ডাস্ট্রি আব্বাকে মনে করল কি করল না, তা নিয়ে আগে মন খারাপ হতো, এখন আর এসব নিয়ে ভাবি না। আমরা শুধু তার জন্য সবার কাছে দোয়া চাই।'
১৯৪২ সালের ২৩ জানুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার টালিগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন নায়করাজ রাজ্জাক। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি প্রায় ৩০০ সিনেমায় অভিনয় করেছেন। পাশাপাশি প্রায় ১৬টি সিনেমা পরিচালনা ও প্রযোজনা করেছেন। শ্রেষ্ঠ অভিনেতা হিসেবে তিনি পাঁচবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। এছাড়া ২০১৩ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে তাকে আজীবন সম্মাননা এবং ২০১৫ সালে স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।





























