বিদ্যুৎ সাশ্রয় ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার নিশ্চিত করতে দেশের সব সরকারি অফিসের ছাদে পর্যায়ক্রমে সোলার প্যানেল স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানিয়েছেন, এই উদ্যোগের ফলে সরকারি প্রতিষ্ঠানের বিদ্যুৎ ব্যয় উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাবে এবং পরিবেশবান্ধব জ্বালানি ব্যবস্থাপনার একটি টেকসই কাঠামো তৈরি হবে। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত দুটি পৃথক সভায় তিনি এই পরিকল্পনার বিস্তারিত তুলে ধরেন।
পর্যায়ক্রমিক বাস্তবায়ন ও প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা
প্রতিমন্ত্রী জানান, এই কার্যক্রম শুধু কেন্দ্রীয় পর্যায়ে সীমাবদ্ধ থাকবে না। পর্যায়ক্রমে জেলা, উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের সরকারি অফিসগুলোতেও সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প সম্প্রসারণ করা হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারি ব্যয় সাশ্রয় ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন এবং তিনি নিয়মিত এই প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করছেন। এর আগে গত ১০ আগস্ট মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সরকারি কার্যালয়গুলোতে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা জারি করেছিল।
প্রযুক্তিগত প্রস্তুতি ও কমিটির কার্যক্রম
গত ১৭ আগস্ট এই প্রকল্পের জন্য দুটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিগুলো ইতোমধ্যে সোলার প্যানেল স্থাপনের উপযোগী ছাদ চিহ্নিতকরণ, সম্ভাব্য ব্যয় নির্ধারণ এবং প্রকল্পের চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে বিশদ পর্যালোচনা সম্পন্ন করেছে। সোলার প্যানেল স্থাপনে নেট মিটারিং ও হাইব্রিড সিস্টেম ব্যবহারের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে, যাতে উৎপাদিত অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা যায়। এছাড়া সরকারি অর্থায়নের পাশাপাশি প্রযুক্তিগত সহায়তার জন্য ওয়ালটন, প্রাণ-আরএফএল ও গ্রামীণ শক্তির মতো বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পরিকল্পনা রয়েছে।
সভায় উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ
- স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান।
- পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব রফিকুল ই মোহামেদ।
- বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানগণ।
- ওয়ালটন, প্রাণ-আরএফএল ও গ্রামীণ শক্তির প্রতিনিধিরা।
সূত্র: ডেইলি বাংলাদেশ


























