প্রকাশ: ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:১৪ পিএম। শুক্রবার বিকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার পলাশী মোড় থেকে শুরু হওয়া জন্মাষ্টমী উপলক্ষে আয়োজিত র্যালিতে অংশ নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, অতীতের ফ্যাসিবাদী শক্তি এই দেশের সনাতন ধর্মের ভাইবোনদের তাদের ‘ভোট ব্যাংক’ মনে করত, তবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা সেই ভ্রান্ত ধারণা ও মিথ ভেঙে দিয়েছেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের সংবিধান রাষ্ট্রকে সব ধর্মের ধর্মচর্চা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করার দায়িত্ব দিয়েছে এবং রাষ্ট্র তা নিশ্চিত করবে। তিনি আরও বলেন, সংবিধানে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে ধর্মের ভিত্তিতে কোনো বৈষম্য করা যাবে না। সকল ধর্মাবলম্বীর উপাসনালয় স্থাপন এবং এসব উপাসনালয়ের কর্তাদের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়েছে। তিনি বলেন, 'আমরা শুধু সেটা কিতাবে, সংবিধানে ধারণ করেই বসে থাকতে চাই না। বাস্তবে আমরা এই সম্প্রীতি, এই স্বাধীনতা নিশ্চিত করব এবং আমরা সেই ঘোষণা দিয়েছি।'
দেশের সকল নাগরিকের পরিচয় নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীন নাগরিক হিসেবে কেউই যেন নিজেদের সংখ্যালঘু হিসেবে পরিচয় না দেন। তিনি সবাইকে ধর্মের ভিত্তিতে নয়, বরং নাগরিকত্বের ভিত্তিতে সমান অধিকারভুক্ত নাগরিক হিসেবে পরিচয় দেওয়ার আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, আমাদের মধ্যে সম্প্রীতি থাকবে এবং এটিই হবে আমাদের পরিচয়। তিনি বলেন, 'আমরা বলি, আমাদের নেতা বলেছেন—সবার আগে বাংলাদেশ। যদি সবার আগে বাংলাদেশ হয়, তাহলে আমরা সবার আগে বাংলাদেশি, তারপরে আমাদের ধর্মীয় পরিচয়, সাংস্কৃতিক পরিচয়, নৃতাত্ত্বিক পরিচয়। সবার আগে বাংলাদেশি এবং সবার জন্য বাংলাদেশ।'
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, 'তাহলে আমরা আজকে থেকে কী বলব? ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখব। সামাজিক সম্প্রীতি এবং শান্তি বজায় রাখব। কেউ আর সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি শব্দের উল্লেখ করার প্রয়োজন নেই। এটা হবে ধর্মীয় সম্প্রীতি, সহাবস্থান এবং সামাজিক শান্তি ও সম্প্রীতি।'




























