উইমেন্স হান্ড্রেডের চলতি আসরে নিজেদের জয়যাত্রা অব্যাহত রেখেছে সাউদার্ন ব্রেভ। হেডিংলিতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে তারা সানরাইজার্স লিডসকে পাঁচ উইকেটে পরাজিত করেছে। ১১৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতে কিছুটা বিপাকে পড়লেও শেষ পর্যন্ত চার বল বাকি থাকতেই জয় নিশ্চিত করে ব্রেভ। দলের হয়ে জেমিমাহ রদ্রিগেজ ৩৪ বলে অপরাজিত ৪২ রানের এক দায়িত্বশীল ইনিংস খেলেন। শুরুর দিকে ক্যাসিডি ম্যাকার্থি (২/১৪) ও ড্যানিয়েল গিবসনের তোপে লিজেল লি, মায়া বুশিয়ার ও লরা উলভার্টের মতো তারকা ব্যাটারদের হারিয়ে ৩৬ রানেই তিন উইকেট হারিয়ে বসেছিল সাউদার্ন ব্রেভ। তবে রদ্রিগেজ প্রথমে সোফি মলিনিউয়ের (২১) সাথে ৩৫ রান এবং পরে জোডি গ্রিউককের সাথে ৩৯ রানের জুটি গড়ে দলের জয় নিশ্চিত করেন।
এর আগে ব্যাট করতে নেমে ব্রায়নি স্মিথের ৩৪ বলে ৪৮ রানের ওপর ভর করে ১১৬ রান সংগ্রহ করে সানরাইজার্স লিডস। স্মিথ ও অ্যানাবেল সাদারল্যান্ড (২২) তৃতীয় উইকেটে ৫৭ রান যোগ করেছিলেন। তবে সারা গ্লেনের হাত ধরে সাদারল্যান্ডের বিদায়ের পর লিডসের ব্যাটিং লাইনআপে ধস নামে। টিলি কর্টিন-কোলম্যান গিবসনকে ফেরান এবং ইসি ওং ১৫ রানে তিন উইকেট শিকার করে প্রতিপক্ষের ব্যাটিং অর্ডার গুঁড়িয়ে দেন। শেষ দিকে দীপ্তি শর্মার ১৪ বলে ২৩ রানের ক্যামিও লিডসকে লড়াই করার মতো পুঁজি এনে দিলেও তা জয়ের জন্য যথেষ্ট ছিল না।
দিনের অন্য ম্যাচে এমআই লন্ডনের বিপক্ষে বড় জয় তুলে নিয়েছে ওয়েলশ ফায়ার। নিজেদের প্রথম ম্যাচে আট রানে হারের পর দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে তারা ৬০ রানের ব্যবধানে জয় পেয়েছে। প্রথমে ব্যাট করে ওয়েলশ ফায়ার ৪ উইকেট হারিয়ে ১৭৭ রান সংগ্রহ করে। দলীয় ব্যাটিংয়ের ভিত্তি গড়ে দেন জর্জিয়া ভল (৪২)। এরপর সোফি ডিভাইন (৫২) ও জর্জিয়া ওয়ারহামের (অপরাজিত ৪৩) ৩৬ বলের বিধ্বংসী ৭৯ রানের জুটি দলকে বড় সংগ্রহের পথে এগিয়ে নেয়।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে ওয়েলশ ফায়ারের বোলিং তোপে ১১৭ রানেই গুটিয়ে যায় এমআই লন্ডন। গ্রেস পটস প্রথম ১৬ বলের মধ্যেই হেইলি ম্যাথিউস ও কিরা চাতলিকে সাজঘরে ফিরিয়ে শুরুটা দারুণ করেন। পরে তিনি ড্যানি ওয়াইট-হজকে ১২ রানে বোল্ড করেন। এমিলি আর্লট এরপর আমেলিয়া কারকে এবং সোফি ডিভাইন নিকোলা ক্যারিকে আউট করলে ৫০ রানেই পাঁচ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল এমআই লন্ডন। চিনেল হেনরি (৩০) ও অ্যালিস ডেভিডসন-রিচার্ডস (১৮) সপ্তম উইকেটে ৪৬ রান যোগ করলেও তা পরাজয় এড়ানোর জন্য যথেষ্ট ছিল না। শেষ পর্যন্ত আট বল বাকি থাকতেই অলআউট হয়ে যায় এমআই লন্ডন।































