আগামী সপ্তাহের শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্রের ২৫টি শিল্প ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের ৪৫ জন শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা ও ব্যবসায়িক নেতা বাংলাদেশে আসছেন। শনিবার তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মুখপাত্র জানান, সফরকারী প্রতিনিধি দলটি বাংলাদেশের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরে কর্মরত ব্যক্তিদের সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে বৈঠক করবেন। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গেও তাদের একটি বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।
এর আগে সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গোর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে মার্কিন বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানান। মুখপাত্রের ভাষ্যমতে, মার্কিন প্রতিনিধিরা প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বের ওপর গভীর আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেছেন এবং গত পাঁচ মাসে রাষ্ট্র পরিচালনায় গৃহীত তার নীতিগুলোর প্রশংসা করেছেন।
মাহদী আমিন আরও বলেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বহুমাত্রিক সম্পর্ককে কীভাবে গভীর অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বের মাধ্যমে এগিয়ে নেওয়া যায়, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। মার্কিন কোম্পানিগুলো কীভাবে বাংলাদেশের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখতে পারে এবং সরকার তাদের কী ধরনের নীতি সহায়তা দিতে পারে, তা নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়েছে। এছাড়া রপ্তানি ও আমদানি বৃদ্ধির বিষয়েও উভয় পক্ষ গুরুত্ব দিয়েছে।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের বাংলাদেশ ভ্রমণ সতর্কতা শিথিল করার বিষয়টিকে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বের প্রতি বিশ্বব্যাপী আস্থার প্রতিফলন হিসেবে দেখছে সরকার। মুখপাত্র জানান, বাংলাদেশ মার্কিন বিনিয়োগকারীসহ সবার জন্য উন্মুক্ত। সরকারের মূল লক্ষ্য হলো বিনিয়োগের সুযোগগুলো সবার সামনে তুলে ধরা এবং গণতান্ত্রিক যাত্রায় অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে কাজে লাগানো। ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, উপ প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি এবং সহকারি প্রেস সচিব নাজমুল হক উপস্থিত ছিলেন। এদিন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের একটি প্রতিনিধিদলের বৈঠকের কথাও জানানো হয়েছে।






























