লর্ডসে লন্ডন স্পিরিটের বিপক্ষে নাটকীয় জয়ে দ্য হান্ড্রেডে নিজেদের প্লে-অফের আশা বাঁচিয়ে রেখেছে সাউদার্ন ব্রেভ। বোলারদের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পর ব্যাটিংয়ে কিছুটা নড়বড়ে অবস্থায় পড়লেও শেষ পর্যন্ত পাঁচ উইকেটের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে দলটি।
প্রথমে ব্যাট করতে নেমে লন্ডন স্পিরিট অনেকটা এককভাবে নির্ভর করেছিল জনি বেয়ারস্টোর ওপর। পিচের কন্ডিশন ব্যাটিংয়ের জন্য সহজ না হলেও বেয়ারস্টো লড়াই চালিয়ে যান। অর্ধেক ইনিংস শেষে লন্ডন স্পিরিট ২ উইকেট হারিয়ে ৫২ রান সংগ্রহ করেছিল। এই পর্যায়ে আদিল রশিদ লিয়াম লিভিংস্টোনকে আউট করার মাধ্যমে দ্য হান্ড্রেডের ইতিহাসে পুরুষদের ক্রিকেটে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি বোলার হিসেবে নিজের নাম লেখান, ছাড়িয়ে যান টাইমাল মিলসকে।
বেয়ারস্টো ৪০ বলে তার অর্ধশতক পূর্ণ করলেও তার বিদায়ের পর লন্ডন স্পিরিটের ব্যাটিং লাইনআপে ধস নামে। জোফরা আর্চার মাত্র ৯ রান খরচায় ৪টি উইকেট তুলে নিয়ে প্রতিপক্ষের লোয়ার অর্ডার গুড়িয়ে দেন। মার্কাস স্টোইনিস ১৭ রানে ৩টি উইকেট নেন। ফলে লন্ডন স্পিরিট ১০৩ রানে ৫ উইকেট থেকে মাত্র ১০৫ রানে অলআউট হয়ে যায়। ইনিংসের শেষ আট বল বাকি থাকতেই তাদের শেষ পাঁচটি উইকেট মাত্র দুই রানে পতন ঘটে।
১০৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে সাউদার্ন ব্রেভের শুরুটা ছিল বেশ বিপর্যয়ের। ডেভিড উইলি প্রথম বলেই বেন ম্যাককিনিকে শূন্য রানে ফেরান এবং পরে নিখিল চৌধুরীকেও আউট করেন। জেমি স্মিথ ৩৬ রানের একটি ঝোড়ো ইনিংস খেলে প্রতিপক্ষকে চাপে রাখার চেষ্টা করেন, তবে জেমস কোলস তাকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেললে লন্ডন স্পিরিট ম্যাচে ফেরার সুযোগ পায়। অ্যাডাম জাম্পা মঈন আলীকে আউট করেন এবং এরপর স্টোইনিস রান আউট হলে সাউদার্ন ব্রেভ ৬০ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে। তখন জয় পেতে তাদের ৪৮ বলে ৪৬ রানের প্রয়োজন ছিল।
শেষ পর্যন্ত ডেভিড মিলার এবং ট্রিস্টান স্টাবস কোনো প্রকার বিপর্যয় ছাড়াই দলকে জয়ের বন্দরে নিয়ে যান। দক্ষিণ আফ্রিকান এই জুটি অবিচ্ছিন্ন থেকে তিন বল হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করেন। মিলার অপরাজিত ৩৯ রান করেন এবং ছক্কা মেরে জয় নিশ্চিত করেন। এই জয়ে সাউদার্ন ব্রেভ প্লে-অফের লড়াইয়ে টিকে রইল, অন্যদিকে লন্ডন স্পিরিটের নকআউট পর্বে যাওয়ার পথে বড় ধাক্কা লাগল।





























