শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ছিলেন দেশের অন্যতম দূরদর্শী ও দেশপ্রেমিক নেতা, যার হাত ধরেই আধুনিক বাংলাদেশের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়েছিল। রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে জাতীয়তাবাদী ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন (জেটেব) এই সভার আয়োজন করে।
ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, শহীদ জিয়াউর রহমান মাত্র সাড়ে তিন বছরের সংক্ষিপ্ত শাসনকালে দেশের প্রতিটি খাতে যুগান্তকারী উন্নয়ন সাধন করেছিলেন এবং দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ঐতিহাসিক ভূমিকা রেখে গেছেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন, দীর্ঘ ১৯ বছর পর স্বৈরাচারী শাসনের অবসান ঘটিয়ে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে দেশে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত বর্তমান সরকার জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে সম্পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
দেশে সুশাসন, ন্যায়বিচার ও মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠার ওপর জোর দিয়ে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, স্বৈরাচারের পুনরুত্থান রুখতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তিনি জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ, পঙ্গুত্ববরণকারী এবং অতীতে গুম ও নির্যাতনের শিকার হওয়া নেতাকর্মীদের পরিবারগুলোর পুনর্বাসন ও সহায়তার জন্য মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি বিশেষ অধিদপ্তর ইতিমধ্যেই কাজ শুরু করেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি পরিবারের পাশে দাঁড়াতে সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।
জেটেবের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মো. ফখরুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভাটি সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার এ বি এম রুহুল আমীন আকন্দ। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী এবং বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন। আলোচনা সভায় সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।






















