যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার চলমান উত্তেজনা ও দ্বন্দ্ব নিরসনে গত জুনে স্বাক্ষরিত 'ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক' (MoU) আন্তরিকতার সাথে বাস্তবায়নই একমাত্র পথ বলে মন্তব্য করেছেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার। মঙ্গলবার কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেকে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (এসসিও) শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সাথে এক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) জানানো হয়, দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের মধ্যে অত্যন্ত উষ্ণ পরিবেশে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও আঞ্চলিক নানা উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে ইসহাক দার জোর দিয়ে বলেন, সমগ্র অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সংলাপ ও কূটনীতির কোনো বিকল্প নেই।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, পাকিস্তান ও ইরানের মধ্যকার এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে দুই নেতাই আঞ্চলিক উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। ইসহাক দার উল্লেখ করেন, ২০২৬ সালের জুনে স্বাক্ষরিত ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারকটি সংঘাতের সাথে জড়িত উভয় পক্ষের আন্তরিকভাবে মেনে চলাই বর্তমান সংকট থেকে উত্তরণের একমাত্র উপায়।
মূলত ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার বৈরিতা দূর করতে এবং উত্তেজনা প্রশমনের একটি রূপরেখা তৈরি করতে গত জুনে ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারকটি সই হয়েছিল। পাকিস্তান শুরু থেকেই উভয় পক্ষের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখার চেষ্টা করেছে এবং সামরিক পদক্ষেপের পরিবর্তে আলোচনার মাধ্যমে সব মতপার্থক্য দূর করার আহ্বান জানিয়ে আসছে। মঙ্গলবারের এই বৈঠকটি বিশকেকে এসসিও শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে আঞ্চলিক নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও আঞ্চলিক উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করতে বিভিন্ন দেশের নেতৃবৃন্দ ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা একত্রিত হয়েছেন।




























