সামরিক চাপ ও হুমকির মুখেও নিজেদের অবস্থানে অটল থাকার ঘোষণা দিয়েছে ইরান। ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) মুখপাত্র সরদার মোহেবি স্পষ্ট জানিয়েছেন, ওমানের সঙ্গে সমঝোতা হলেও হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করার বিষয়টি তার ওপর নির্ভর করছে না। তিনি পুনর্ব্যক্ত করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সব শর্ত পুরোপুরি মেনে নিলেই কেবল প্রণালিটি খুলে দেওয়া হবে।
ইরানের সংসদের জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্র নীতি কমিটির মুখপাত্র জানিয়েছেন, ওমানের সঙ্গে একটি সাধারণ সমঝোতা কাঠামো তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে, তবে এই বিষয়টি এখনো উচ্চপর্যায়ের চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে।
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান জানিয়েছেন, তেহরান কোনো যুদ্ধ বা ভূখণ্ড সম্প্রসারণ চায় না, তবে কোনো পক্ষের জবরদস্তি বা হুমকির কাছে নতি স্বীকার করবে না। এদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি অভিযোগ করেছেন, পাকিস্তানের সঙ্গে হওয়া দ্বিপক্ষীয় সমঝোতা স্মারক লঙ্ঘন করে যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালিতে নতুন নৌপথ তৈরির চেষ্টা করছে।
প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ানের সঙ্গে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে আরাঘচি জানান, পাকিস্তানের সঙ্গে সমঝোতার পাঁচ নম্বর ধারা বাস্তবায়নের পর এক মাসের মধ্যে পণ্যবাহী নৌ চলাচল স্বাভাবিক হওয়ার কথা ছিল এবং মাত্র দুই সপ্তাহের মধ্যেই ৬০ শতাংশ স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরে এসেছিল। তবে যুক্তরাষ্ট্রের একতরফা পদক্ষেপে এখন নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এই চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলা হলে সেটিকে বাকি দুই দেশের ওপরও হামলা হিসেবে গণ্য করা হবে, যা আঞ্চলিক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।































