সেন্ট ভিনসেন্টের আরনস ভেল গ্রাউন্ডে বৃষ্টিবিঘ্নিত এক ম্যাচে সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস প্যাট্রিয়টসকে ১৯ রানে হারিয়ে শিরোপা রক্ষার মিশন শুরু করেছে ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্স। নিয়মিত অধিনায়ক নিকোলাস পুরান ও কাইরন পোলার্ডকে ছাড়াই মাঠে নামা নাইট রাইডার্স শুরু থেকেই ছিল ছন্দে। টসে জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া নাইট রাইডার্স বোলাররা প্যাট্রিয়টসের ব্যাটারদের চাপে রেখে মাত্র ১০৯ রানেই থামিয়ে দেয় তাদের।
ম্যাচের শুরু থেকেই বল হাতে দাপট দেখান সুনীল নারাইন। সাম্প্রতিক এমএলসি মৌসুমের মতোই পাওয়ারপ্লের সুবিধা কাজে লাগিয়ে দ্বিতীয় ওভারে জোড়া আঘাত হানেন তিনি। এরপর চতুর্থ ওভারে আরও একটি উইকেট শিকার করে প্যাট্রিয়টসের ব্যাটিং মেরুদণ্ড ভেঙে দেন। এরপর জনসন চার্লস ও কেভিন উইকহ্যাম কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও ১০ বলের ব্যবধানে তিন উইকেট হারিয়ে ১১ ওভার শেষে প্যাট্রিয়টসের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৪৭/৬।
ম্যাচের মাঝপথে প্রায় ৫০ মিনিটের দীর্ঘ বৃষ্টির বিরতি থাকলেও প্যাট্রিয়টসের ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন হয়নি। এরপর কেভিন উইকহ্যাম ৪৪ বলে ৩৮ রানের ধৈর্যশীল ইনিংস খেললে এবং আশমিদ নেড ও ওবেদ ম্যাকয় ছোট ছোট কিছু অবদান রাখলে প্যাট্রিয়টস একশ রানের কোটা পার করতে সক্ষম হয়। তবে ধীরগতির পিচে ১০৯ রানের সংগ্রহটি জয়ের জন্য যথেষ্ঠ ছিল না।
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে অ্যালেক্স হেলস ও কলিন মুনরো নাইট রাইডার্সকে স্থিতিশীল শুরু এনে দিলেও পাওয়ারপ্লের ভেতরেই দুজনেই সাজঘরে ফেরেন। এরপর ম্যাথু ব্রিৎজকে ও জশুয়া দা সিলভা সিঙ্গেলস নিয়ে ইনিংস এগিয়ে নেন। প্রায় ৫০ বল কোনো বাউন্ডারি ছাড়াই অতিবাহিত হয়। তবে জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় রান রেট সবসময়ই নাগালের মধ্যে ছিল। জশুয়া দা সিলভা ১৩তম ওভারের পর ক্লান্ত হয়ে রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে মাঠ ছাড়েন। শেষ পর্যন্ত ১৫ ওভার শেষে নাইট রাইডার্সের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৯৪/২। এরপর পুনরায় বৃষ্টি নামলে ডিএলএস পদ্ধতিতে ১৯ রানে জয়ী ঘোষণা করা হয় ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্সকে।






























