ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) বহিষ্কৃত নেতা আসাদ খোকনকে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে বিএনপি, ছাত্রদল ও যুবদল নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। শুক্রবার দুপুরে উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের হরিপুর রাজবাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। আসাদ খোকন নাসিরনগর উপজেলার বুড়িশ্বর ইউনিয়নের বাসিন্দা এবং তিনি এনসিপির ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সমন্বয় কমিটির সদস্য ছিলেন। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে গত বছর তাকে দল থেকে সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে, শুক্রবার সকালে জেলা শহর থেকে নৌকায় হরিপুর রাজবাড়িতে আসেন আসাদ খোকন। দুপুর ১২টার দিকে রাজবাড়িতে পৌঁছে তিনি ফেসবুক লাইভে যুক্ত হন। এরপর দুপুর ২টার দিকে রাজবাড়ির সামনে তিতাস নদীতে গোসল করার সময় ২০-৩০ জনের একটি দল তাকে ঘিরে ফেলে মারধর করে। হামলার পর তাকে রাজবাড়ির ভেতরে একটি কক্ষে আটকে রাখা হয়। পরে হামলাকারীরা তাকে অচেতন অবস্থায় নাসিরনগর সদরে নিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। নাসিরনগর থানা পুলিশ তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে পরিবারের জিম্মায় হস্তান্তর করেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এনসিপির এক নেতা অভিযোগ করেন, নাসিরনগর সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক ইয়াছিন মাহমুদ, বিএনপি কর্মী মো. বিল্লাল ও মো. মোরশেদের নেতৃত্বে উপজেলা বিএনপি, ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা এই হামলা চালিয়েছেন। তবে মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইয়াছিন মাহমুদ।
নাসিরনগর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কে এম বশির উদ্দিন ঘটনার সঙ্গে তাদের দলের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করে বলেন, স্থানীয়দের সঙ্গে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে মারধরের ঘটনাটি ঘটেছে। অন্যদিকে, নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুল ইসলাম জানান, এলাকার লোকজন আসাদের ওপর ক্ষিপ্ত ছিল এবং এর জের ধরেই তাকে মারধর করা হয়েছে। তবে ভুক্তভোগী কারো বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ দায়ের করেননি।




























