কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজার গাড়িবহরে হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এমপি আমির হামজাসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে কুষ্টিয়া শহরের ছয় রাস্তার মোড়ে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আহতদের উদ্ধার করে কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভিপি নুরুল হক নুর ও রাশেদ খানকে নিয়ে মুফতি আমির হামজার কটূক্তিমূলক বক্তব্যের প্রতিবাদে জেলা গণঅধিকার পরিষদ একটি বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের আয়োজন করেছিল। ওই সময় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি কর্মসূচি শেষ করে গাড়িযোগে নিজ বাড়িতে ফিরছিলেন মুফতি আমির হামজা। তার গাড়িটি শহরের ছয়রাস্তা মোড় এলাকায় গণঅধিকার পরিষদের বিক্ষোভ মিছিল অতিক্রম করার সময় হামলার শিকার হয়। এর পরপরই উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে এবং দুই পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হন।
হামলার বিষয়ে এমপি মুফতি আমির হামজা অভিযোগ করে বলেন, গণঅধিকার পরিষদ কুষ্টিয়া জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আব্দুল খালেক ও সাংগঠনিক সম্পাদক তৌকির আহমেদের নেতৃত্বে একদল নেতা-কর্মী লাঠিসোটা ও ইট-পাটকেল নিয়ে তার গাড়িতে হামলা চালায়। এই হামলায় তিনি নিজে এবং জামায়াত ইসলামের অন্তত সাতজন কর্মী আহত হয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।
তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করে গণঅধিকার পরিষদের জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক তৌকির আহমেদ জানান, তাদের নেতা ভিপি নূর এবং রাশেদ খানকে নিয়ে এমপি আমির হামজার কটূক্তির প্রতিবাদে তারা শহরের ছয়রাস্তা মোড় এলাকায় শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ মিছিল করছিলেন। ওই সময় জামায়াতের নেতা-কর্মীরা তাদের সমাবেশে অতর্কিত হামলা চালায় এবং তাদের দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর করে। এই হামলায় তৌকির আহমেদসহ গণঅধিকার পরিষদের তিনজন আহত হয়েছেন বলে তিনি দাবি করেন।
সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফয়সাল মাহমুদ জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এমপির বাসভবনসহ আশপাশের এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।






























