প্রকাশ: ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:০৭ এএম। মালয়েশিয়ায় অবৈধভাবে বসবাসরত বাংলাদেশিদের গ্রেফতারের ঝুঁকি এড়াতে দ্রুত সরকারি সুযোগ গ্রহণ করে নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছে কুয়ালালামপুরের বাংলাদেশ হাইকমিশন। দেশটিতে বর্তমানে ইমিগ্রেশন বিভাগের পক্ষ থেকে অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত চিরুনি অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই হাইকমিশন প্রবাসীদের এই আহ্বান জানালো।
রোববার মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রথম সচিব (প্রেস) তরিকুল ইসলাম বলেন, মালয়েশিয়া সরকার অনিয়মিত বা নথিবিহীন বিদেশিদের আইনসম্মতভাবে ও নিরাপদে নিজ দেশে ফেরার সুযোগ দিতে 'মাইগ্র্যান্ট রিপেট্রিয়েশন প্রোগ্রাম ২.০' (পিআরএম২.০) চালু করেছে। এই কর্মসূচির আওতায় ফিরতে ইচ্ছুক বাংলাদেশিদের সরকারি নিয়ম মেনে আবেদন করতে বলা হয়েছে।
দেশে ফেরার প্রক্রিয়ার বিষয়ে হাইকমিশন জানায়, আবেদনকারীর অবশ্যই বৈধ ও মেয়াদযুক্ত বাংলাদেশি পাসপোর্ট থাকতে হবে। যদি পাসপোর্ট না থাকে বা মেয়াদ শেষ হয়ে যায়, তবে সংশ্লিষ্টরা বাংলাদেশ হাইকমিশন থেকে ট্রাভেল পারমিট (টিপি) সংগ্রহ করতে পারবেন। এরপর নিশ্চিত বিমান টিকিট নিশ্চিত করতে হবে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, ইমিগ্রেশন অ্যাপয়েন্টমেন্টের তারিখের কমপক্ষে পাঁচ দিন পর এবং ১৪ দিনের মধ্যে বিমানের যাত্রার তারিখ নির্ধারণ করতে হবে।
আবেদন প্রক্রিয়া সম্পর্কে তরিকুল ইসলাম স্পষ্ট করেন যে, আবেদনকারীকে নিজে সশরীরে সংশ্লিষ্ট ইমিগ্রেশন অফিসে উপস্থিত হয়ে আবেদন করতে হবে। কোনো তৃতীয় পক্ষ বা দালাল মারফত আবেদন করার সুযোগ নেই। আবেদনের সময় পাসপোর্ট বা ট্রাভেল পারমিট, পাসপোর্টের বায়োডাটা পৃষ্ঠার কপি, ইমিগ্রেশন পাসের কপি এবং প্রয়োজন অনুযায়ী পুরোনো ও নতুন পাসপোর্ট সঙ্গে রাখতে হবে।
দালালদের বিষয়ে সতর্ক করে তিনি বলেন, পিআরএম২.০ কর্মসূচির আবেদনের জন্য কোনো প্রতিনিধি বা তৃতীয় পক্ষকে টাকা দেওয়ার প্রয়োজন নেই। কেউ বিশেষ সুবিধা দেওয়ার কথা বলে টাকা দাবি করলে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা না করে দ্রুত সংশ্লিষ্ট ইমিগ্রেশন অফিস ও বাংলাদেশ হাইকমিশনের সাথে যোগাযোগ করে সর্বশেষ তথ্য জেনে নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।





























