ইরানের ওপর টানা দুই সপ্তাহ বিমান হামলা চালানোর পর গত দুই দিন ধরে নতুন কোনো হামলা চালায়নি যুক্তরাষ্ট্র। নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশটির কাছে থাকা ইন্টারসেপ্টর মিসাইলের মজুত কমে যাওয়ার আশঙ্কার কারণেই ওয়াশিংটন এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে।
গত সপ্তাহে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার শীর্ষ পরামর্শকদের সঙ্গে ইন্টারসেপ্টর মিসাইলের মজুত নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন। সেই বৈঠকের পরই ইরানের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত বড় ধরনের হামলার সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে মার্কিন প্রশাসন। অথচ এর আগে গত শুক্রবার ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে বিমান হামলা আরও জোরদার করার ঘোষণা দিয়েছিলেন। সামরিক ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনার পরই তিনি তার আগের অবস্থান পরিবর্তন করেন।
নিউইয়র্ক টাইমসকে সংশ্লিষ্ট দুটি সূত্র জানিয়েছে, মার্কিন জয়েন্ট চিফ অব স্টাফ জেনারেল ডেন কেইন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে সতর্ক করে বলেছিলেন যে, বড় ধরনের হামলা চালানো সম্ভব হলেও এতে মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন মার্কিন বাহিনীর ব্যবহারের জন্য থাকা ইন্টারসেপ্টর মিসাইলের মজুত দ্রুত ফুরিয়ে যাওয়ার বড় ঝুঁকি রয়েছে।
এদিকে ট্রাম্প প্রশাসনের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ধারাবাহিক হামলার মাধ্যমে ইরানকে আলোচনার টেবিলে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে কি না, তা নিয়েও প্রশাসনের ভেতরে সংশয় তৈরি হয়েছে। তার মতে, সাম্প্রতিক হামলাগুলো ইরানের অভ্যন্তরে বিভাজন তৈরির পরিবর্তে দেশটির জনগণকে আরও ঐক্যবদ্ধ করেছে এবং তারা এখন বিদেশি হুমকির দিকেই বেশি মনোযোগ দিচ্ছে। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, গত শুক্রবার ও শনিবার রাতে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর কোনো হামলা চালায়নি।
রবিবার (২৬ জুলাই) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে পত্রিকাটি জানায়, গত সপ্তাহে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার শীর্ষ পরামর্শকদের মধ্যে ইন্টারসেপ্টর মিসাইলের মজুত নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়। ওই বৈঠকের পরই ইরানের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত বড় ধরনের হামলার সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে যুক্তরাষ্ট্র।































