ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি মঙ্গলবার জানিয়েছেন যে, রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে চলমান যুদ্ধ অবসানের প্রচেষ্টায় কিয়েভ চীনের কাছ থেকে আরও শক্তিশালী কূটনৈতিক ভূমিকা প্রত্যাশা করছে। ইউক্রেনের স্বাধীনতা দিবসের ৩৫তম বার্ষিকী উপলক্ষে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং শুভেচ্ছা বার্তা পাঠানোর পর জেলেনস্কি এই মন্তব্য করেন।
চীনের নেতার শুভেচ্ছার জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে জেলেনস্কি বলেন, ইউক্রেন ও অন্যান্য সার্বভৌম রাষ্ট্রের জন্য স্বাধীনতা একটি শর্তহীন মূল্যবোধ। তিনি আরও বলেন, বেইজিংয়ের সাথে ৩৫ বছর ধরে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও উভয় জনগণের মূল্যবোধের স্বীকৃতির ভিত্তিতে যে সম্পর্ক গড়ে উঠেছে, কিয়েভ তাকে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয়। জেলেনস্কি বলেন, “আমরা আরও সহযোগিতার এবং রাশিয়ার বিরুদ্ধে আমাদের দেশের চলমান যুদ্ধ শেষ করার ক্ষেত্রে চীনের শক্তিশালী কূটনৈতিক ভূমিকা প্রত্যাশা করছি। শান্তি আমাদের সম্মিলিত অর্জন হতে পারে।”
জেলেনস্কির এই আহ্বান এমন সময়ে এল যখন ইউক্রেন মস্কোর ওপর আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক চাপ বৃদ্ধি এবং দীর্ঘস্থায়ী শান্তি অর্জনের প্রচেষ্টায় সমর্থন পাওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। উল্লেখ্য যে, চীন রাশিয়ার সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখে চলেছে।
এদিকে, রাশিয়া ও ইউক্রেন আরেকটি বড় ধরনের বন্দী বিনিময়ের প্রস্তুতি নিচ্ছে। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা তাস বুধবার জানিয়েছে যে, উভয় পক্ষের কর্মকর্তারা মুক্তি পাওয়ার মতো ব্যক্তিদের তালিকা চূড়ান্ত করার কাজ করছেন। রাশিয়ার মানবাধিকার বিষয়ক কমিশনার ইয়ানা লানত্রাতোভা তাসকে বলেছেন, “আমরা আরও একটি বড় ধরনের বিনিময় প্রক্রিয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি; তালিকাগুলো চূড়ান্ত করা হচ্ছে।”
এর আগে ১৯ আগস্ট সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যস্থতায় রাশিয়া ও ইউক্রেন উভয় পক্ষ ১০৩ জন করে সেনাসদস্য বিনিময় করেছিল। ২০২২ সালে সংঘাত শুরুর পর থেকে বন্দী বিনিময় প্রক্রিয়াটি মস্কো ও কিয়েভের মধ্যে কার্যকর সহযোগিতার অন্যতম ক্ষেত্র হিসেবে টিকে আছে।






























