সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন বেতনকাঠামো অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে ধাপে ধাপে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হবে। আগামী ২০২৭ সালের মধ্যে মূল বেতন মোট তিন ধাপে পুরোপুরি কার্যকর করা হবে। এরপর ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে বেতন ও ভাতা একযোগে পাবেন চাকরিজীবীরা। সরকারের এই নতুন সিদ্ধান্তে স্বল্প আয়ের কর্মচারীদের বিশেষভাবে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে নতুন বেতন বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে তাঁদের অগ্রাধিকার দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এই গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য প্রথম ধাপে চলতি বছরের জুলাই থেকে প্রথম ছয় মাসে ৫০ শতাংশ বর্ধিত মূল বেতন বাড়বে। দ্বিতীয় ধাপে ২০২৭ সালের জানুয়ারি থেকে আরও ২৫ শতাংশ এবং একই বছরের জুলাই থেকে তৃতীয় ধাপে বাকি ২৫ শতাংশ বেতন বৃদ্ধি কার্যকর করা হবে। অর্থাৎ, প্রথম ধাপে ৫০ শতাংশ বাড়ার পর দ্বিতীয় ধাপে গিয়ে মোট ৭৫ শতাংশ এবং শেষ ধাপে শতভাগ বর্ধিত মূল বেতন পাবেন এই গ্রেডের চাকরিজীবীরা।
অন্যদিকে, প্রথম থেকে নবম গ্রেডের কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রে প্রথম ধাপে গত ১ জুলাই থেকে ৪০ শতাংশ বর্ধিত মূল বেতন বাড়বে। এরপর দ্বিতীয় ধাপে ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি আরও ৩০ শতাংশ এবং তৃতীয় ধাপে ২০২৭ সালের ১ জুলাই থেকে অবশিষ্ট ৩০ শতাংশ বাস্তবায়ন করা হবে। ২০২৮ সাল থেকে তাঁরাও বেতন ও ভাতা একযোগে পাবেন।
সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে নতুন এই বেতনকাঠামো অনুমোদন দেওয়া হয়। পরবর্তীতে তথ্য অধিদপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নতুন বেতনকাঠামোর বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।
তিন ধাপের মধ্যে কোন ধাপে কত শতাংশ বর্ধিত মূল বেতন দেওয়া হবে, তা স্পষ্ট করে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘তাহলে হয়তো ছয় মাসে প্রথম একটা (অংশ) চলে যাবে। এই জুলাই থেকে কার্যকর হবে। ছয় মাস পরে আরেকটি অংশ কার্যকর হবে। আর শেষে আরেকটা ইফেক্টিভ হবে।’ তিনি আরও জানান, ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ মূল তিন ধাপে বেতন দেওয়া হবে এবং ২০২৮ সাল থেকে বেতন ও ভাতা সবই কার্যকর হবে।



























