যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালিকে ‘নতুন মার্কিন ভূখণ্ড’ হিসেবে ঘোষণা করে একটি মানচিত্র প্রকাশ করেছেন। গত শনিবার তিনি নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এই মানচিত্রটি শেয়ার করেন। এর আগে গত ১৫ আগস্ট নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যে রিপাবলিকান পার্টির এক সমাবেশে ট্রাম্প বলেছিলেন, “সামনে ইরান খুব বাজেভাবে হারতে যাচ্ছে এবং ইরানকে পরাজিত করার পর আমি হরমুজ প্রণালিকে মার্কিন ভূখণ্ড হিসেবে ঘোষণা করব। এটাই সত্য।”
হরমুজের কৌশলগত গুরুত্ব ও সংঘাতের প্রেক্ষাপট
- ১৬৭ কিলোমিটার দীর্ঘ হরমুজ প্রণালি বৈশ্বিক জ্বালানি বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বের মোট জ্বালানি পণ্যের এক-পঞ্চমাংশ এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। এর একপাশে ইরান এবং অন্যপাশে ওমান অবস্থিত।
- গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রে ইরানে অভিযান শুরুর পর হরমুজে বিদেশি জাহাজ চলাচলে অবরোধ জারি করে তেহরান। এর পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ ঘোষণা করে যুক্তরাষ্ট্র।
- পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় গত ১৭ জুন ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হলে অবরোধ তুলে নেওয়া হয়েছিল। তবে ১৩ জুলাই ইরান সেই চুক্তি থেকে বেরিয়ে গিয়ে পুনরায় হরমুজে অবরোধ আরোপ করে।
বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে গত ১২ আগস্ট মেরিল্যান্ডের জয়েন্ট বেইস অ্যান্ড্রুজ পরিদর্শনের সময় ট্রাম্প দাবি করেন, ইরান হরমুজে মাইন পেতেছে, যা মার্কিন নৌবাহিনী অপসারণ করছে। তিনি আরও বলেন, হরমুজে এখন ইরানের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই এবং পুরো প্রণালি যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। বর্তমানে ওই অঞ্চলে অবরোধ পরিস্থিতি অব্যাহত রয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: কিন্তু ১৩ জুলাই ইসলামাবাদ চুক্তি থেকে বের হয়ে যায় ইরান এবং হরমুজ প্রণালিতে ফের অবরোধ জারি করে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আমাদের নৌবাহিনী শিগগিরই পুরো প্রণালি মাইনমুক্ত করে ফেলবে।
সূত্র: ঢাকা পোস্ট






























