মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বাহিনীর ওপর ইরানের ‘প্রচেষ্টামূলক হামলা’র প্রতিক্রিয়ায় বুধবার স্থানীয় সময় রাত ৮টায় ইরানে বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী। ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ এক পোস্টের মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করে জানিয়েছে, এটি ইরানের হামলার একটি শক্তিশালী জবাব।
এর আগে, মিসরে একটি মার্কিন মালিকানাধীন তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) ট্যাঙ্কারে ড্রোন হামলার ঘটনার পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ওপর ‘কঠিন’ প্রতিক্রিয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘আমরা তাদের ওপর খুব শক্তভাবে আঘাত করব, কারণ এখন আমাদের আঘাত করার পালা। তারা জানে যে এটি আসছে।’
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে একাধিক বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। বন্দর আব্বাস শহরে শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে এবং কেশম দ্বীপেও হামলার খবর পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে উত্তেজনা চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। ওয়াশিংটন ইরানের ওপর হামলা চালাচ্ছে এবং এর জবাবে তেহরান মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে মার্কিন সামরিক স্থাপনা ও সরঞ্জামে পাল্টা আঘাত করছে।
এদিকে ফক্স নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘আমরা তাদের ওপর কঠোর আঘাত হানব। তাদের উচিত শিক্ষা দেওয়া হবে।’ ইরাকের ভেতরে সরকারপন্থী মিলিশিয়াদের ওপর মার্কিন-সৌদি যৌথ বোমা হামলার বিষয়ে ট্রাম্প দাবি করেছেন যে, ইরাকি সরকার প্রকাশ্যে নিন্দা জানালেও এই হামলা বাগদাদের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করেই করা হয়েছে।

































