অ্যানাবেল সাদারল্যান্ডের দুর্দান্ত অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে ভর করে উইমেনস হান্ড্রেডে জয় পেয়েছে সানরাইজার্স লিডস। লন্ডন স্পিরিটের দেওয়া ১৩৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে সাদারল্যান্ডের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে পাঁচ উইকেটের জয় তুলে নেয় দলটি। এর মাধ্যমে নিজেদের হারের বৃত্ত ভাঙতে সক্ষম হলো লিডস।
ম্যাচের শেষ দিকে জয়ের জন্য তিন বলে এক রান প্রয়োজন ছিল। তখন নাদিন ডি ক্লার্কের বলে মিডউইকেটের ওপর দিয়ে ছক্কা হাঁকিয়ে জয় নিশ্চিত করেন সাদারল্যান্ড। তার সঙ্গী হিসেবে ক্রিজে ছিলেন জেস জোনাসেন। ব্যাটিং অর্ডারে পরিবর্তন এনে জোনাসেনকে সাত নম্বরে নামানো হয়েছিল। তবে শেষ ওভারের শুরুতে জোনাসেনের একটি গুরুত্বপূর্ণ চার লিডসকে সুবিধাজনক অবস্থানে নিয়ে আসে।
লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়ে জয়ের খুব কাছে এসে কিছুটা চাপে পড়েছিল লিডস। নয় বলে ১৪ রান প্রয়োজন থাকা অবস্থায় দীপ্তি শর্মা বড় শট খেলতে গিয়ে আউট হন। এর আগে কেটি জর্জের বলে ড্যানি গিবসন আউট হলে সাদারল্যান্ডের সাথে তার ৪৮ রানের জুটি ভেঙে যায়। তবে ফবি লিচফিল্ড ও ব্রায়নি স্মিথ শুরুতে ভালো ভিত্তি গড়ে দিয়েছিলেন। নতুন এই উদ্বোধনী জুটি ৩২তম বলেই ৫০ রান পার করে ফেলেছিল। কিন্তু মাত্র সাত বলের ব্যবধানে তিন উইকেট হারিয়ে ৫৯/৩ স্কোরে পরিণত হয়ে কিছুটা বিপাকে পড়েছিল লিডস।
এর আগে লন্ডন স্পিরিট প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ভালো শুরু করেছিল। বৃষ্টির কারণে খেলা সাময়িক বন্ধ হওয়ার সময় তারা ৫০ বলে ৮৯/১ স্কোরে ছিল। কিন্তু বৃষ্টির বিরতির পর তাদের ব্যাটিং ধসে পড়ে। গ্রেস হ্যারিস ৫১ রান করে আউট হওয়ার পর স্পিরিটের নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পড়তে থাকে। মারিজান ক্যাপ ও ডিয়ান্ড্রা ডটিন ছাড়া অন্য কেউ বড় রান করতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত তারা ১৩৬/৭ সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়।
লিডসের হয়ে বল হাতে দীপ্তি শর্মা ১৮ রানে দুই উইকেট এবং হান্না বেকার ২১ রানে দুই উইকেট শিকার করেন। এছাড়া সাদারল্যান্ড বল হাতেও দুর্দান্ত ছিলেন, ক্রস-সেম ডেলিভারিতে তিনি মারিজান ক্যাপকে প্যাভিলিয়নে ফেরান। শেষ পর্যন্ত ম্যাচসেরার পুরস্কার উঠেছে সাদারল্যান্ডের হাতেই।




























