সারাদেশে চাঁদাবাজদের পাশাপাশি তাদের সঙ্গে কোনো পুলিশ সদস্য জড়িত থাকলে তাদেরও তালিকা তৈরি করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইএনটি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. মো. আসাদুর রহমানকে দেখতে গিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। সম্প্রতি সন্ত্রাসী হামলায় আহত হয়ে ওই চিকিৎসক চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, চাঁদাবাজরা রাতারাতি কোটিপতি হওয়ার লালসায় চিহ্নিত সন্ত্রাসী, দাগি আসামি ও গডফাদারদের নাম ব্যবহার করছে। তাই শুধু চাঁদাবাজ নয়, তাদের মদদদাতা বা সহযোগী পুলিশ সদস্যদেরও তালিকাভুক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।
তিনি আরও জানান, ঢাকা মহানগর পুলিশসহ দেশের সব মেট্রোপলিটন এলাকায় চাঁদাবাজ, চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও মাদক কারবারিদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার জন্য আজই বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যারা এসব অপরাধী ও চাঁদাবাজদের ধরতে ব্যর্থ হবে, তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করেন তিনি।
অধ্যাপক ডা. মো. আসাদুর রহমানের ওপর হামলার বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, একটি সংঘবদ্ধ চক্র ইএনটি বিভাগের প্রধানের মতো ‘হাইভ্যালু’ বা গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের টার্গেট করে ভয়ভীতি দেখাচ্ছিল ও হামলা চালাচ্ছিল। এর পেছনে মূলত চাঁদাবাজির উদ্দেশ্য ছিল। এই চক্রের সাত সদস্যের মধ্যে ইতোমধ্যে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে মূলহোতাকেও পুলিশ গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাজের প্রশংসা করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পুলিশের কাজের প্রশংসা করি, তবে তাদের এখনও অনেক কাজ বাকি আছে। সমাজ থেকে এই সংঘবদ্ধ চাঁদাবাজদের সম্পূর্ণরূপে নির্মূল করতে হবে।



























