সৌদি আরবের রিয়াদ শহরের একটি সোফা কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ১৬ জন বাংলাদেশি প্রাণ হারিয়েছেন। মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে ১১ জনই নওগাঁর আত্রাই উপজেলার বাসিন্দা ছিলেন। শুক্রবার মধ্যরাতে এই ১১ জনের মধ্যে ৭ জনের মরদেহ আত্রাইয়ে এসে পৌঁছায়। পরদিন শনিবার সকাল ১০টায় স্থানীয় মোল্লা আজাদ মেমোরিয়াল সরকারি কলেজ মাঠে তাদের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে পরিবারের সদস্যদের কাছে মরদেহগুলো হস্তান্তর করা হয়েছে।
জানাজায় নওগাঁ-৬ (আত্রাই-রাণীনগর) আসনের সংসদ সদস্য শেখ রেজাউল ইসলাম রেজু, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মনিরুজ্জামান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনিরুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া স্থানীয় রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল জলিল চকলেট, সাধারণ সম্পাদক তছলিম উদ্দিনসহ প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা ও বিপুল সংখ্যক মুসল্লি অংশ নেন।
নিহতদের স্মরণে শোক প্রকাশ করে সংসদ সদস্য শেখ রেজাউল ইসলাম রেজু জানান, নির্বাচনী এলাকার ১১ জন রেমিটেন্স যোদ্ধার অকাল মৃত্যুতে তিনি গভীরভাবে শোকাহত। ঘটনার পর থেকেই মরদেহগুলো দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সৌদি দূতাবাসের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করা হয়েছে। বাকিদের মরদেহ দ্রুত সময়ের মধ্যে দেশে ফিরিয়ে আনার সব ধরনের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান জানান, আইনি ও প্রশাসনিক আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন না হওয়ায় বাকিদের মরদেহ আসতে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে। তবে নিহতদের পরিবারগুলোর সঙ্গে উপজেলা প্রশাসন সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছে এবং তাদের সব ধরনের সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। বাকিদের মরদেহ দেশে ফেরার অপেক্ষায় রয়েছে স্বজন ও এলাকাবাসী। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আত্রাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনিরুজ্জামান বলেন, নিহত আত্রাইয়ের ১১ জনের মধ্যে ৭ লাশের জানাজা আজ আমরা সম্পন্ন করলাম।
সূত্র: দৈনিক আমার দেশ































