২৮ বছর পূর্ণ করার মাত্র কয়েক সপ্তাহ পরই সৌদি প্রো লিগের ক্লাব আল-কাদসিয়াহতে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ডাচ মিডফিল্ডার তিজানি রেইন্ডার্স। ম্যানচেস্টার সিটিতে যোগ দেওয়ার মাত্র এক বছর পরই তিনি এই নতুন ক্লাবে পাড়ি জমাচ্ছেন। আর এই দলবদলের সুবাদে বড় ধরনের আর্থিক মুনাফা ঘরে তুলছে ইতালিয়ান ক্লাব এসি মিলান।
গত বছর যখন মিলান থেকে রেইন্ডার্স ম্যানচেস্টার সিটিতে যোগ দিয়েছিলেন, তখনই মিলান কর্তৃপক্ষ একটি দূরদর্শী শর্ত জুড়ে দিয়েছিল। তারা সিটির কাছে গ্যারান্টি চেয়েছিল যে, পরবর্তী বছরের মধ্যে যদি এই খেলোয়াড়কে বিক্রি করা হয়, তবে চুক্তির সম্পূর্ণ ১৪ মিলিয়ন ইউরোর অ্যাড-অনস মিলানকে পরিশোধ করতে হবে।
সাধারণত এই অ্যাড-অনসগুলো সক্রিয় হওয়ার কথা ছিল খেলোয়াড়ের পারফরম্যান্স, ম্যাচ খেলার সংখ্যা এবং দলীয় লক্ষ্য অর্জনের ওপর ভিত্তি করে, যার মধ্যে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয় এবং এমনকি ব্যালন ডি'অর জয়ের মতো বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত ছিল। যদিও এর কোনোটিই বাস্তবে ঘটেনি, তবুও এক বছরের মধ্যে রেইন্ডার্সকে বিক্রি করে দেওয়ায় ম্যানচেস্টার সিটি এখন মিলানকে এই পুরো অর্থ পরিশোধ করতে বাধ্য।
এই ১৪ মিলিয়ন ইউরো যোগ হওয়ার পর রেইন্ডার্সের জন্য মিলানের পাওয়া মোট ট্রান্সফার ফি দাঁড়িয়েছে প্রায় ৭০ মিলিয়ন ইউরো। তবে ম্যানচেস্টার সিটি আল-কাদসিয়াহর কাছ থেকে এর চেয়েও অনেক বড় অঙ্কের অর্থ পকেটে পুরছে।
২০২৩ সালের গ্রীষ্মে এসি মিলান মাত্র ১৩ মিলিয়ন ইউরো খরচ করে ডাচ ক্লাব এজেড আল্কমার থেকে রেইন্ডার্সকে দলে ভিড়িয়েছিল। ফলে মাত্র এক বছরের ব্যবধানে এই ডাচ তারকাকে কেন্দ্র করে মিলানের নিট লাভ দাঁড়িয়েছে ৫৬ মিলিয়ন ইউরো।
এই দলবদলের মাধ্যমে রেইন্ডার্স নিজেও আর্থিকভাবে বিপুল লাভবান হচ্ছেন। বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আল-কাদসিয়াহর সাথে পাঁচ বছরের চুক্তির মেয়াদ শেষে তাঁর মোট বেতন গিয়ে দাঁড়াবে প্রায় ১০০ মিলিয়ন ইউরোতে। নতুন এই ক্লাবে তিনি সতিনিধি হিসেবে পাচ্ছেন ইতালির আন্তর্জাতিক স্ট্রাইকার মাতেও রেতেগুইকে।





























