দেশে হাম ও ডেঙ্গুর মতো রোগের প্রকোপ একসঙ্গে দেখা দিলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার উদ্বিগ্ন নয় বলে আশ্বস্ত করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি জানিয়েছেন, বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকালে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) অডিটরিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানটি ছিল ২০২৬ সালের জাতীয় পর্যায়ের ওরাল কলেরা টিকাদান ক্যাম্পেইনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন। ডিএসসিসির প্রশাসক মো. আবদুস সালামের সভাপতিত্বে এই উদ্বোধনী পর্বটি অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী কলেরার ইতিহাস স্মরণ করে বলেন, একসময় এ দেশে কলেরায় আক্রান্ত হয়ে হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু হতো। তবে বিভিন্ন কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে বর্তমানে এই রোগটি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। এবার দেশ থেকে কলেরা সম্পূর্ণ নির্মূল করার লক্ষ্য নিয়ে মুখে খাওয়ার টিকার এই বিশেষ ক্যাম্পেইন শুরু করেছে সরকার।
টিকাদান কর্মসূচির বিস্তারিত তুলে ধরে মন্ত্রী জানান, এক বছরের বেশি বয়সী দেশের সব মানুষকে এই টিকার আওতায় নিয়ে আসার পরিকল্পনা করা হয়েছে। আগামী ২২ আগস্ট থেকে ২১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রথম ধাপে দেশের ১৪টি উপজেলায় টিকার প্রথম ডোজ দেওয়া হবে। এর ঠিক ১৪ দিন পর, অর্থাৎ ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়ার কার্যক্রম।
তবে এই টিকাদানের ক্ষেত্রে কিছু বিধিনিষেধও রয়েছে। এক বছর বা তার বেশি বয়সীরা টিকা নিতে পারলেও গর্ভবতী নারী, তীব্র সংক্রমণে আক্রান্ত রোগী এবং টিকার কোনো উপাদানে আগে থেকেই গুরুতর অ্যালার্জির ইতিহাস রয়েছে এমন ব্যক্তিদের এই টিকা দেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট করেন মন্ত্রী।





























