রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সম্পূর্ণভাবে সংবিধান ও আইন অনুযায়ী নির্ধারিত নিয়মেই অনুষ্ঠিত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের মিডিয়া সেন্টারে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। তিনি স্পষ্ট করেন যে, ভোটার তালিকা প্রণয়ন থেকে শুরু করে তফশিল ঘোষণা, ভোটগ্রহণ এবং শপথ গ্রহণের প্রতিটি ধাপ আইন ও সংবিধান মেনেই পরিচালিত হচ্ছে। ফলে এই নির্বাচন নিয়ে বিরোধী দলের অভিযোগ তোলার কোনো সুযোগ নেই।
চিফ হুইপ জানান, বৃহস্পতিবার দুপুর ২টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত সংসদ সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করবেন। ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পরপরই বিকেল ৫টার দিকে উপস্থিত সবার সামনে ভোট গণনা করে ফলাফল ঘোষণা করা হবে।
ভোটগ্রহণের সময় গণমাধ্যমের সম্প্রচার প্রসঙ্গে নূরুল ইসলাম মনি বলেন, ভোট শুরুর পাঁচ মিনিট আগে থেকে সরাসরি সম্প্রচার শুরু হবে। ভোট চলাকালীন তিন ঘণ্টা লাইভ সম্প্রচার বন্ধ থাকলেও পুরো ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ার ভিডিও রেকর্ড সংরক্ষণ করা হবে। এরপর ভোট গণনা ও ফল ঘোষণার সময় আবারও সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।
নতুন রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠান প্রসঙ্গে চিফ হুইপ জানান, শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বঙ্গভবনে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠিত হবে। সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী অনুযায়ী, এবার প্রধান বিচারপতির পরিবর্তে সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতিকে শপথ পাঠ করাবেন। তবে বর্তমানে স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করায় ডেপুটি স্পিকার স্পিকারের দায়িত্ব পালন করছেন।
নির্বাচিত হওয়ার পর সংসদ সদস্যপদ ও মন্ত্রিত্ব ছাড়ার বিষয়ে তিনি বলেন, নির্বাচিত ব্যক্তি শপথ নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তার সংসদ সদস্যপদ ও মন্ত্রিত্ব স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে। এর জন্য শপথের আগে আলাদাভাবে পদত্যাগ করার প্রয়োজন নেই। এছাড়া ভোটারদের বিষয়ে তিনি জানান, অসুস্থতার কারণে মির্জা আব্বাস ভোট দিতে পারবেন না, তবে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ সংসদ সদস্য হওয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেবেন।



























