লা লিগার মাঠে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারদের মূল লক্ষ্যবস্তু হয়ে ওঠার বিষয়টি এখন আর নতুন নয়। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম ‘এএস’-এর তথ্যমতে, ২০১৯-২০ মৌসুম থেকে লা লিগায় সবচেয়ে বেশি ফাউলের শিকার হয়েছেন এই রিয়াল মাদ্রিদ তারকা। ভিনির লা লিগায় অভিষেক হয়েছিল ২০১৮-১৯ মৌসুমে, তবে সেবার তিনি রিয়ালের মূল দলের হয়ে খুব বেশি ম্যাচ খেলার সুযোগ পাননি। সে মৌসুমে তিনি রিয়ালের ‘বি’ দলের হয়ে তৃতীয় স্তরের লিগে ৫ ম্যাচ এবং মূল দলের হয়ে লা লিগায় মাত্র ১৮ ম্যাচ খেলেছিলেন। তাই পরিসংখ্যানের হিসাবটি ২০১৯-২০ মৌসুম থেকেই করা হয়েছে।
২০১৯-২০ মৌসুম থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত লা লিগায় মোট ২২৬টি ম্যাচ খেলেছেন ভিনিসিয়ুস। এই সময়ে তিনি মোট ৪৯১ বার প্রতিপক্ষের ফাউলের শিকার হয়েছেন। তালিকার দ্বিতীয় স্থানে থাকা ভিয়ারিয়াল মিডফিল্ডার দানি পেরেয়োর চেয়ে তিনি ৪৩টি ম্যাচ কম খেলেও ফাউলের সংখ্যায় সবার উপরে রয়েছেন। চলতি মৌসুমেও এস্পানিওল ও রিয়াল সোসিয়েদাদের বিপক্ষে দুই ম্যাচে ১০ বার ফাউলের শিকার হয়েছেন তিনি।
ভিনিসিয়ুসকে ফাউল করা খেলোয়াড়দের কার্ড পাওয়ার হার নিয়ে বেশ চমকপ্রদ তথ্য উঠে এসেছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ভিনিসিয়ুস গড়ে ১৬ বার ফাউলের শিকার হওয়ার পর প্রতিপক্ষ খেলোয়াড় একটি হলুদ কার্ড দেখেন। অথচ বার্সেলোনার তরুণ ফরোয়ার্ড লামিনে ইয়ামালের ক্ষেত্রে চিত্রটি ভিন্ন; তিনি গড়ে মাত্র তিনবার ফাউলের শিকার হলেই প্রতিপক্ষ খেলোয়াড় হলুদ কার্ড দেখে থাকেন।
লাল কার্ডের ক্ষেত্রেও এই বৈষম্য স্পষ্ট। ভিনিসিয়ুস গড়ে ৬৮ বার ফাউলের শিকার হওয়ার পর প্রতিপক্ষ খেলোয়াড় লাল কার্ড দেখেন। অন্যদিকে, ইয়ামালের ক্ষেত্রে মাত্র ১১ বার ফাউলের শিকার হওয়ার পরই প্রতিপক্ষ খেলোয়াড় লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন। এই পরিসংখ্যানগুলো প্রমাণ করে যে, মাঠের খেলায় ভিনিসিয়ুসকে থামানোর জন্য প্রতিপক্ষরা কতটা মরিয়া হয়ে ওঠে।
ইউরোপের শীর্ষ ক্লাব প্রতিযোগিতা চ্যাম্পিয়নস লিগের চিত্র অবশ্য কিছুটা ভিন্ন। ২০১৯-২০ মৌসুম থেকে এই প্রতিযোগিতায় ভিনিসিয়ুস মোট ১৩১ বার ফাউলের শিকার হয়েছেন, যা তাকে তালিকার শীর্ষে রেখেছে। তবে চ্যাম্পিয়নস লিগে ভিনি ও ইয়ামাল—উভয়ের ক্ষেত্রেই প্রতি তিনটি ফাউলের বিপরীতে প্রতিপক্ষ খেলোয়াড় একটি করে হলুদ কার্ড দেখেন, যা ঘরোয়া লিগের তুলনায় সম্পূর্ণ বিপরীত চিত্র।
মাঠের বাইরের অন্যান্য খবরের মধ্যে, রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে এমবাপ্পের হ্যাটট্রিক দেখে হোসে মরিনিও এটিকে ‘অবিশ্বাস্য’ বলে অভিহিত করেছেন। অন্যদিকে, আতলেতিকো মাদ্রিদ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, বার্সেলোনার কাছে আলভারেজকে বিক্রি করার কোনো সম্ভাবনা নেই। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সে জন্য সম্ভবত হিসাবটা করা হয়েছে ২০১৯-২০ মৌসুম থেকে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ভিনি ২০১৯-২০ মৌসুমে লা লিগায় ২৯ ম্যাচ খেলেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এরপর ২০২৫-২৬ মৌসুম পর্যন্ত প্রতি লিগেই ন্যূনতম ৩০টি করে ম্যাচ খেলেছেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: লা লিগায় অনেক বিষয়েই অভ্যস্ত হয়ে উঠছেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: গোল করা থেকে গোল বানানো, ড্রিবলিং, দর্শকের করতালি থেকে দুয়ো। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: স্পেনের শীর্ষ লিগে ফাউলের শিকার হতে হতে ব্রাজিলিয়ান উইঙ্গারের গা সয়ে যাওয়ার কথা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বাঁ প্রান্তে তাঁর ডিফেন্স চেরা দৌড়ের সঙ্গে চোখধাঁধানো ড্রিবলিংয়ের জবাব না থাকলে এ ছাড়া ডিফেন্ডারদের আর উপায় কী।
সূত্র: প্রথম আলো































