উত্তর আফ্রিকার দেশ মরক্কো থেকে স্পেনের স্বায়ত্তশাসিত ছিটমহল সেউতায় প্রবেশের চেষ্টা করেছেন হাজার হাজার অভিবাসনপ্রত্যাশী। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) এই অনুপ্রবেশের ঘটনায় অন্তত ১৫ জন পানিতে ডুবে প্রাণ হারিয়েছেন বলে জানা গেছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের বরাত দিয়ে স্প্যানিশ গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, অন্তত ২ থেকে ৩ হাজার অভিবাসনপ্রত্যাশী সেউতায় প্রবেশ করেছেন। তবে স্থানীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী গার্ডিয়া সিভিল এখনও এই সংখ্যার সঠিক তথ্য নিশ্চিত করেনি। এই ঘটনার পর সেউতায় অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করেছে স্পেন।
স্পেনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এই অনুপ্রবেশের জন্য মানবপাচারকারী চক্রকে দায়ী করেছে। মন্ত্রণালয়ের অভিযোগ, এই চক্রটি অভিবাসনপ্রত্যাশীদের অবৈধভাবে প্রবেশের জন্য উৎসাহিত করছে। বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, সেউতা শহরের নিরাপত্তা বজায় রাখতে এবং যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সশস্ত্র বাহিনী সিভিল গার্ডকে সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হবে।
পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার প্রতিশ্রুতি নিয়ে শুক্রবার (৩১ জুলাই) স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ সেউতা সফর করেছেন।
এদিকে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্পেনের সঙ্গে শেনজেন ব্যবস্থাপনা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে সেউতার পরিস্থিতিকে উদ্বেগজনক বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, অনিয়ন্ত্রিত অবৈধ অভিবাসন ইউরোপের সীমান্ত নিরাপত্তার জন্য একটি বাস্তব হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
উল্লেখ্য, মরক্কোর উত্তর উপকূলে জিব্রাল্টার প্রণালির তীরে অবস্থিত সেউতা ইউরোপে পৌঁছানোর চেষ্টাকারী অভিবাসীদের জন্য দীর্ঘদিন ধরেই অন্যতম প্রধান প্রবেশপথ হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে।
































