আগামী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দলের প্রার্থী চূড়ান্ত করার একক দায়িত্ব দলটির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর ন্যস্ত করেছে বিএনপি। শনিবার রাতে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে শুরু হয়ে প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী চলা এই নীতিনির্ধারণী বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন তারেক রহমান নিজেই।
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দলের প্রার্থী মনোনয়ন এবং নির্বাচনের সময় নির্ধারণসহ যাবতীয় সিদ্ধান্ত নেওয়ার ভার বিএনপি চেয়ারম্যানের ওপর দেওয়া হয়েছে। বৈঠকে মির্জা ফখরুল ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, সেলিমা রহমান এবং ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, বৈঠকে দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, গত ২৪ জুলাই স্বাস্থ্যগত কারণে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছেন। সংবিধানের ১২৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। নির্বাচন কমিশনও জানিয়েছে যে তারা এই নির্বাচন আয়োজনে প্রস্তুত আছে এবং শিগগিরই তফসিল ঘোষণা করতে পারে।
সালাহউদ্দিন আহমদ আরও জানান, নির্বাচন কমিশন তফসিল ঘোষণার পর যদি একাধিক প্রার্থী থাকে, তবে সংসদে একটি বিশেষ অধিবেশন ডাকার নিয়ম রয়েছে, যা স্পিকারের সাথে আলোচনা করে নির্ধারণ করা হবে। তবে একক প্রার্থী হলে ভোটের প্রয়োজন পড়বে না। এদিকে, বিএনপির দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ৯০ দিন পূর্ণ হওয়ার আগেই, বিশেষ করে আগামী আগস্ট মাসেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সম্পন্ন করার পক্ষে মত দিয়েছে স্থায়ী কমিটি। আগামী ১ সেপ্টেম্বর বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী থাকায় সেপ্টেম্বর এড়াতে আগস্টেই এই নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে নীতিগত আলোচনা হয়েছে।






























