রাশিয়ার কারাগারে দীর্ঘ সময় বন্দি থাকার পর মুক্তি পেয়েছেন সাবেক মার্কিন মেরিন রবার্ট গিলম্যান। ম্যাসাচুসেটসের বাসিন্দা গিলম্যানকে মানবিক কারণে মুক্তি দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বিশেষ দূত কিরিল দিমিত্রিয়েভ। মঙ্গলবার তিনি একটি মার্কিন বিমানে করে ওয়াশিংটন ডিসির উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন।
গিলম্যানের মুক্তি পাওয়ার আগের শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন ম্যাসাচুসেটসের সিনেটর এড মার্কি। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছিলেন, মুক্তি পাওয়ার আগে গিলম্যান মারাত্মক নিউমোনিয়ায় ভুগছিলেন এবং প্রায় অচেতন বা ক্যাটাটোনিক অবস্থায় ছিলেন। সিনেটর মার্কি আরও জানান, প্রায় ৫০ দিন আগে গিলম্যানকে ‘ডিসোসিয়েটিভ স্টুপোর’ বা এক ধরনের মানসিক অবস্থায় আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছিল, যার ফলে তিনি কোনো কিছুতে সাড়া দিতে পারছিলেন না এবং খাবার গ্রহণেও অক্ষম ছিলেন। তবে বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনো জানা যায়নি।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, গিলম্যানের দেশে ফেরার পথে একাধিক চিকিৎসক তার সেবায় নিয়োজিত ছিলেন এবং একজন মার্কিন কর্মকর্তা তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে ইতিবাচক মন্তব্য করেছেন। সিবিএস নিউজের তথ্যমতে, গিলম্যানের পরিবার টেক্সাসের একটি সামরিক হাসপাতালে তার পৌঁছানোর অপেক্ষায় রয়েছে।
রবার্ট গিলম্যানের বোন লেক্সি হাডসন তার ভাইয়ের মুক্তির জন্য প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তিনি এক বিবৃতিতে বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই বিষয়টি জানার পর দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছেন বলেই আজ তার ভাই জীবিত অবস্থায় ফিরে আসতে পেরেছেন। উল্লেখ্য, ২০২২ সালে মস্কোগামী একটি ট্রেনে মদ্যপ অবস্থায় এক পুলিশ কর্মকর্তাকে লাথি মারার অভিযোগে ২৮ বছর বয়সী রবার্ট গিলম্যানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।































