হেডিংলিতে সিরিজের প্রথম টেস্টে পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপের চরম ব্যর্থতায় ইনিংস ও ১০৩ রানের বড় জয় পেয়েছে ইংল্যান্ড। তিন দিনের ব্যবধানে দুইবার ব্যাটিংয়ে নেমে ব্যর্থ হওয়া পাকিস্তান ম্যাচটি হাতছাড়া করেছে খুব সহজেই। প্রথম ইনিংসে ১৭১ রানে গুটিয়ে যাওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসেও সফরকারীরা মাত্র ১৩৫ রানে অলআউট হয়ে যায়। ইংল্যান্ডের হয়ে জফরা আর্চার, জশ টং এবং ওলি রবিনসন সম্মিলিতভাবে নয়টি উইকেট দখল করে পাকিস্তানের পরাজয় নিশ্চিত করেন।
ম্যাচের তৃতীয় দিন সকালে জফরা আর্চার ব্যাট হাতে দ্রুত ইংল্যান্ডের লিড ২০০ রানের গণ্ডি পার করান। তবে জেমি স্মিথ ২৫ রান করে আউট হওয়ার পরপরই ইংল্যান্ডের ইনিংস শেষ হয়ে যায়। এরপর বল হাতে পাকিস্তানের ওপর চড়াও হন আর্চার। ইনিংসের প্রথম ওভারেই তিনি ইমাম-উল-হককে সাজঘরে ফিরিয়ে শুরুতেই বড় ধাক্কা দেন। শান মাসুদ কিছু বাউন্ডারি হাঁকিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করলেও ওলি রবিনসনের বলে আবদুল্লাহ শফিক দ্বিতীয় স্লিপে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নিলে মধ্যাহ্নভোজের বিরতির আগেই পাকিস্তান চাপে পড়ে যায়।
বিরতির পর জশ টং পাকিস্তানের মিডল অর্ডারে ধস নামান। তিনি সাউদ শাকিলকে ফেরানোর পর একই ওভারে শান মাসুদ ও সালমান আঘাকেও আউট করেন। এরপর মোহাম্মদ রিজওয়ান কিছু শট খেলে ব্যবধান কমানোর চেষ্টা করলেও রবিনসন তার তিন উইকেট শিকার পূর্ণ করেন। শেষ দিকে গাস অ্যাটকিনসন রিজওয়ানের উইকেট তুলে নেন এবং ইনিংসের ৩৮তম ওভারে আর্চার পাকিস্তানের ইনিংসের ইতি টানেন।
ম্যাচটিতে পাকিস্তান তাদের প্রথম ইনিংসে ১৭১ রান (আবদুল্লাহ শফিক ৬১, জশ টং ৫-৪৬) এবং দ্বিতীয় ইনিংসে ১৩৫ রান (মোহাম্মদ রিজওয়ান ৪১, ওলি রবিনসন ৩-২৯) সংগ্রহ করে। অন্যদিকে ইংল্যান্ড তাদের প্রথম ইনিংসে ৪০৯ রান (হ্যারি ব্রুক ৯১, আলী উসমান ৫-৯৫) করেছিল। এই জয়ের ফলে ইংল্যান্ড তিন ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল।



























