অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ম্যাকাই টেস্টের প্রথম দিনটি ছিল চরম নাটকীয়তায় ভরা। টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে বাংলাদেশ দল গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ অ্যারেনার উইকেটে রীতিমতো ধুঁকতে থাকে। মিচেল স্টার্কের বিধ্বংসী বোলিংয়ের মুখে পড়ে মাত্র ৩৪ ওভারে ৬৪ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। প্রথম সেশনেই স্টার্কের তোপে মাত্র ২২ বলে ৫ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ একপর্যায়ে সর্বনিম্ন রানের রেকর্ডের ঝুঁকিতে পড়েছিল। শেষ পর্যন্ত তাইজুল ইসলাম ও শরীফুল ইসলামের ২৫ রানের জুটিতে বাংলাদেশ ৬৪ রান পর্যন্ত পৌঁছাতে সক্ষম হয়।
তবে দিনের শেষ সেশনে দৃশ্যপট সম্পূর্ণ বদলে দেন বাঁহাতি পেসার শরীফুল ইসলাম। চোট কাটিয়ে দলে ফেরা শরীফুল তার ক্যারিয়ারের প্রথম ৫ উইকেট শিকারের মাইলফলক স্পর্শ করেন এবং দিন শেষে ৬ উইকেট তুলে নিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে চাপে ফেলে দেন। ৪০ ওভার শেষে অস্ট্রেলিয়ার স্কোর দাঁড়ায় ৮ উইকেটে ১৬৫ রান। শরীফুল ৩৫ রান দিয়ে ৬ উইকেট শিকার করে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং লাইনআপ গুঁড়িয়ে দেন।
ইনিংসের অষ্টম ওভারে ট্রাভিস হেড ও মারনাস লাবুশেনকে বোল্ড করে শরীফুল বাংলাদেশের লড়াইয়ে ফেরার ইঙ্গিত দেন। পরবর্তীতে স্টিভেন স্মিথ ও বো ওয়েবস্টারকে এলবিডব্লু করে তিনি নিজের আধিপত্য বজায় রাখেন। এছাড়া অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক প্যাট কামিন্সকেও বাউন্সারে ক্যাচ দিতে বাধ্য করেন তিনি। ইনিংসের পরের ওভারে স্টার্ককে বোল্ড করে নিজের ষষ্ঠ উইকেট পূর্ণ করেন এই পেসার।
অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ক্যামেরন গ্রিন ৫১ রানে অপরাজিত থেকে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। এর আগে বাংলাদেশের ব্যাটিং ব্যর্থতার বিষয়ে জশ হ্যাজলউড মন্তব্য করেন যে, উইকেটে বাউন্স ও সিম মুভমেন্টের অসামঞ্জস্য ছিল এবং বাতাসের কারণে সুইং হচ্ছিল। তবে দিন শেষে শরীফুলের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে বাংলাদেশ ম্যাচে ফেরার আশা বাঁচিয়ে রেখেছে।































