ডারউইনের বাউন্সি উইকেটে নতুন বলের সুবিধা কাজে লাগিয়ে শুরু থেকেই অজি ব্যাটারদের চাপে রাখেন তাসকিন আহমেদ ও হাসান মাহমুদ। বিশেষ করে হাসান মাহমুদের সুইং ও বাউন্স সামলাতে বেশ বেগ পেতে হয় স্বাগতিকদের। ইনিংসের তৃতীয় ওভারে হাসানকে ক্যাচ দিলেও ট্রাভিস হেড সে যাত্রায় বেঁচে যান। তবে নিয়মিত ভালো লাইন-লেংথে বোলিং করার পুরস্কার পেতে বাংলাদেশকে ১২তম ওভার পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়। হাসানের অফ স্টাম্পের বাইরের বল ড্রাইভ করতে গিয়ে লিটন দাসের গ্লাভসে ধরা পড়েন ওপেনার, ২৩ রান করে তার বিদায়ে ভাঙে ৪৫ রানের উদ্বোধনী জুটি।
নিজের পরের ওভারে হাসান মাহমুদ আবারও আঘাত হানেন। ১৪তম ওভারের চতুর্থ বলে ইন-সুইং ডেলিভারিতে ট্রাভিস হেডের স্টাম্প ভেঙে দেন তিনি, ফেরার আগে এই ওপেনার করেন ২২ রান। এরপর ১৭তম ওভারে এবাদত হোসেনের বলে স্টিভেন স্মিথের সহজ ক্যাচ মিস করেন তৃতীয় স্লিপে থাকা তানজিদ তামিম। তবে সেই আক্ষেপ দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। ১৯তম ওভারে এবাদত হোসেনের বলে মার্নাস ল্যাবুশেন দ্বিতীয় স্লিপে নাজমুল হোসেন শান্তর হাতে ধরা পড়েন। ২০ বল খেলে মাত্র এক রান করে সাজঘরে ফেরেন ল্যাবুশেন।
দ্রুত তিন উইকেট হারিয়ে চাপে পড়া অস্ট্রেলিয়াকে উদ্ধারে পাল্টা আক্রমণের পথ বেছে নেন ক্যামেরুন গ্রিন। তাসকিনের করা ২২তম ওভারের প্রথম বলেই ডিপ স্কয়ার লেগের ওপর দিয়ে ছক্কা হাঁকান তিনি। তবে গ্রিনের এই আক্রমণাত্মক মনোভাবের সুযোগ নিতে ফাঁদ পাতেন তাসকিন। ওভারের শেষ বলে গুড লেংথ থেকে অন সাইডে খেলতে গিয়ে শর্ট মিড উইকেটে মুশফিকুর রহিমের হাতে ধরা পড়েন গ্রিন। ১৩ বলে ১৩ রান করা গ্রিনের এই উইকেটের পরই আম্পায়ার লাঞ্চ বিরতির ঘোষণা দেন।
২২ ওভার শেষে অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ৪ উইকেট হারিয়ে ৭৪ রান। ডারউইনের এই ম্যাচে বাংলাদেশের পেসারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে অজিরা বেশ অস্বস্তিতে রয়েছে। লাঞ্চ বিরতির পর টাইগাররা এই চাপ বজায় রেখে উইকেট শিকারের ধারা অব্যাহত রাখতে চাইবে।
১৪ তম ওভারে চতুর্থ বলে গুড লেংথ থেকে ইন সুইং করা বল ব্যাটের ভেতরের দিকের কানায় লেগে স্টাম্পে আঘাত হানে।
দুই দিকেই সুইংয়ের সঙ্গে বাড়তি বাউন্সও আদায় করে নেন এই পেসার।
সেখানে ড্রাইভ করতে গিয়ে এজ হয়ে উইকেটকিপার লিটনের গ্লাভসে জমা পড়ে বল।
জায়গায় দাঁড়িয়েও বল হাতে জমাতে না পারায় মাথায় হাত দেয় পুরো বাংলাদেশ!
ফিরতি ওভারেই মার্নাস ল্যাবুশেনকে ফেরান এই পেসার।
সেখানে জায়গায় দাঁড়িয়ে খেলতে গিয়ে আউট সাইড এজে বল যায় দ্বিতীয় স্লিপে।
সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা নাজমুল হোসেন শান্ত আর কোনো ভুল করেননি।
সূত্র: Dhaka Post





























