শনিবার (২৯ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরে ‘মায়ের ডাক’ আয়োজিত এক প্রদর্শনী ও আলোচনা সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, গুমের শিকার ব্যক্তিদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সরকার ‘গুম প্রতিকার আইন ২০২৬’ প্রণয়ন করেছে। তিনি বলেন, দীর্ঘ ফ্যাসিজম থেকে মুক্ত হওয়ার পর দেশের মানুষ এখন আইনের শাসন প্রত্যাশা করে। এই আইনের মাধ্যমে গুমের শিকার ব্যক্তিরা সরাসরি আদালতে যাওয়ার সুযোগ পাবেন।
আইনের বিস্তারিত তুলে ধরে মন্ত্রী জানান, কোন ধরনের গুমের জন্য কী ধরনের সাজা হবে, তা সুনির্দিষ্ট করা হয়েছে। এছাড়া তদন্তের প্রক্রিয়া ও দায়িত্বশীলদের ভূমিকাও নির্ধারণ করা হয়েছে। গুমের শিকার ব্যক্তি নিখোঁজ থাকলে তার ওয়ারিশরা যেন সম্পদ ভোগ করতে পারেন, সেই বিধানও রাখা হয়েছে। এমনকি অপরাধী ক্ষতিপূরণ দিতে ব্যর্থ হলেও রাষ্ট্র যেন ভিকটিমকে ক্ষতিপূরণ দিতে পারে, সেই সুরক্ষা নিশ্চিত করা হয়েছে।
নিজেকেও গুমের শিকার উল্লেখ করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আমি নিজেও ভিকটিম, তাই এই আইনের প্রয়োজনীয়তা আমি গভীরভাবে উপলব্ধি করি। সরকার পরিবর্তন হলেও এই আইন স্থায়ী থাকবে, যাতে ভবিষ্যতে যে কেউ গুমের শিকার হলে বিচার পেতে পারেন। তিনি আরও বলেন, হয়তো আইনে কিছু ত্রুটি থাকতে পারে, তবে তা সংশোধনযোগ্য।
গত দুই বছরে গুমের শিকার ব্যক্তিদের অবজ্ঞা ও তুচ্ছতাচ্ছিল্য করার কঠোর সমালোচনা করেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, ভিকটিমদের নিয়ে অপসংস্কৃতি চর্চা করা অত্যন্ত দুঃখজনক। হুম্মাম কাদেরসহ যারা বেঁচে ফিরেছেন, তাদের নিয়ে হাস্যরস করা ভবিষ্যতের গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে কেবল হতাশাই করবে। গুমের মতো অপরাধের বিচার নিশ্চিত করাই এখন সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: শনিবার (২৯ আগস্ট) শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরে ‘মায়ের ডাক’ আয়োজিত প্রদর্শনী ও আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এভাবেই গুম প্রতিকার আইন ২০২৬ নিয়ে এসেছি আমরা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তদন্ত কারা করবে, কীভাবে করবে, সেগুলো ঠিক করেছি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: গুমের শিকার কাউকে পাওয়া না গেলে তার ওয়ারিশরা যেন তার সম্পদ পান, সে বিধান করেছি।





























