নেপাল ও তিব্বত সীমান্ত অঞ্চলে আঘাত হানা ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার পঞ্চম দিনেও উদ্ধার তৎপরতা জোরেশোরে চলছে। রোববার (৩০ আগস্ট) পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে অন্তত ৬৭৫ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এখনো ২ হাজার ৪০০ জনেরও বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধানে বর্তমানে ১৮ হাজার ৭০০-এর অধিক উদ্ধারকর্মী নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) এবং স্থানীয় কর্মকর্তাদের প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, হিমবাহ ধসে পড়ার কারণেই এই ভয়াবহ পানির স্রোত ও বন্যার সৃষ্টি হয়েছে। এদিকে, নেপাল ট্যুরিজম বোর্ডের তথ্যমতে, এখন পর্যন্ত ২৬১ জন বিদেশি নাগরিককে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। তবে এখনো ৩২০ জন বিদেশি নাগরিকের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। উদ্ধার হওয়া বিদেশি নাগরিকদের মধ্যে ভারতের ১৬৭ জন, চীনের ৪০ জন, ইউক্রেনের ৮ জন, জার্মানির ৪ জন, মাল্টার ৪ জন, যুক্তরাষ্ট্রের ৩ জন, ইতালির ২ জন, রাশিয়ার ২ জন, স্পেনের ২ জন, সুইজারল্যান্ডের ২ জন, তুরস্কের ২ জন এবং বেলজিয়াম, বুলগেরিয়া, ওমান ও পর্তুগালের একজন করে নাগরিক রয়েছেন। এছাড়া আরও ২১ জনের পরিচয় এখনো শনাক্ত করা যায়নি।
সীমান্তবর্তী দুর্গম এলাকাগুলোতে দুর্যোগের ব্যাপকতায় উদ্ধারকাজ পরিচালনা করা অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং হয়ে পড়েছে। অন্যদিকে, চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিব্বত অঞ্চলে এই বন্যায় এখন পর্যন্ত ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং সেখানে আরও ৫৫৪ জন নিখোঁজ রয়েছেন। উদ্ধারকারী দলগুলো প্রতিকূল পরিবেশের মধ্যেও নিখোঁজদের উদ্ধারে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।






























