বৃহস্পতিবার বাসেতেরে অনুষ্ঠিত ম্যাচে সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস প্যাট্রিয়টসের বিপক্ষে ১১ রানের জয় পেয়েছে জ্যামাইকা কিংসমেমেন। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে জ্যামাইকা কিংসমেমেন ১৮২ রান সংগ্রহ করে। দলের হয়ে সাইম আইয়ুব দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি হাঁকান। শেষ তিন ওভারে কিংসমেমেন ৪২ রান যোগ করে, যার সুবাদে তারা লড়াই করার মতো পুঁজি পায়।
ম্যাচের শুরুতে নাসিম শাহ কিংসমেমেনের দুই ওপেনারকে দ্রুত সাজঘরে ফেরান। এরপর সাইম আইয়ুব এবং কার্ক ম্যাকেঞ্জি ৩১ রানের একটি জুটি গড়ার চেষ্টা করেন, কিন্তু পাওয়ারপ্লের পরপরই ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা ম্যাকেঞ্জিকে আউট করেন। দুই ওভার পর উসমান খানও হাসারাঙ্গার দুর্দান্ত ক্যাচে বিদায় নিলে কিংসমেমেন ৬৩ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে। তবে সাইম আইয়ুব ১৪তম ওভারে ওয়াকার সালামখেইলের বলে ২১ রান নিয়ে রানের গতি বাড়াতে শুরু করেন। এরপর তিনি ডিপ মিড-উইকেটের ওপর দিয়ে ছক্কা হাঁকিয়ে নিজের ফিফটি পূর্ণ করেন। ১৭তম ওভারে হাসারাঙ্গা পাওয়েলকে আউট করে ৭১ রানের জুটি ভাঙলেও, আইয়ুব নিজের ছন্দ ধরে রাখেন। ১৯তম ওভারে ছক্কা মেরে তিনি তার ক্যারিয়ারের প্রথম টি-টোয়েন্টি সেঞ্চুরি তুলে নেন এবং পরের বলেই আউট হন। ম্যাচে ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা ২ উইকেট নেন।
জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নামা প্যাট্রিয়টস বৃষ্টির কারণে বিলম্বিত শুরুর পর পাওয়ারপ্লেতে ৩ উইকেট হারিয়ে মাত্র ৪২ রান সংগ্রহ করে। ফিল্ডিং বিধিনিষেধ উঠে যাওয়ার পরও তারা সুবিধা করতে পারেনি। ১১তম ওভারে মাইকেল লুইস আউট হলে প্যাট্রিয়টস ৬৪ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বড় বিপদে পড়ে। আন্দ্রে ফ্লেচার ১৪তম ওভারে নিজের ফিফটি তুলে নিলেও দুই ওভার পর সাইম আইয়ুবের হাতে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন।
শেষ তিন ওভারে জয়ের জন্য প্যাট্রিয়টসের প্রয়োজন ছিল ৬৪ রান। জেসন হোল্ডার এবং দাসুন শানাকা ২৪ রানের একটি ওভার থেকে আশা জাগালেও, হুনাইন শাহর ১৯তম ওভারে ম্যাচ আবার কিংসমেমেনের নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। হুনাইন শাহ ওই ওভারে হোল্ডারকে আউট করেন। শেষ ওভারে দাসুন শানাকা দুটি ছক্কা হাঁকালেও প্যাট্রিয়টস ৬ উইকেট হারিয়ে ১৭১ রানে থামে। হুনাইন শাহ ২ উইকেট শিকার করেন। এই জয়ের ফলে কিংসমেমেন পয়েন্ট টেবিলের চতুর্থ স্থানে উঠে এসেছে, অন্যদিকে পাঁচ ম্যাচের মধ্যে মাত্র একটি জয় নিয়ে প্যাট্রিয়টস টেবিলের তলানিতে অবস্থান করছে।





























