রংপুর নগরের মাসুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চার সদস্যকে হত্যার লোমহর্ষক ঘটনায় নতুন মোড় নিয়েছে। এই আলোচিত হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থ দাসের বাবা ও ভাইকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। শনিবার (২৯ আগস্ট) বিকেলে তাদের হেফাজতে নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
এর আগে, এই হত্যা মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে অভিযুক্ত দুই যুবক মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাস আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। তারা রংপুর চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রফিকুল ইসলামের কাছে তাদের অপরাধের বর্ণনা দেন। পরবর্তীতে তৎকালীন রংপুর মহানগর পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ এক সংবাদ সম্মেলনে তাদের জবানবন্দির বিস্তারিত তুলে ধরেন।
পুলিশ কমিশনারের ভাষ্যমতে, ঘটনার দিন ভোরে বাড়ির ছাদে হাঁটাহাঁটি করার সময় গণপতি চক্রবর্তী অভিযুক্ত মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থকে ইয়াবা সেবন করতে দেখেন এবং তাদের ধমক দেন। ইয়াবা সেবনের বিষয়টি জানাজানি হওয়ার ভয়েই অভিযুক্তরা গণপতি চক্রবর্তীকে হত্যা করেন। এছাড়া পুলিশ কমিশনার স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, ফরেনসিক ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং জবানবন্দি অনুযায়ী, নিহত মা ও মেয়ে ধর্ষণের শিকার হননি।
উল্লেখ্য যে, গত শনিবার রাতে রংপুর নগরের কামালকাছনা এলাকার একটি তিনতলা বাড়ি থেকে পুলিশ চারজনের মরদেহ উদ্ধার করে। নিহতরা হলেন রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে আগামী চক্রবর্তী (২৫) ও ছেলে আয়ুশ চক্রবর্তী (১৩)।




























