ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে সড়ক দুর্ঘটনার তিন দিন পর এক কলেজ শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার সকালে উপজেলার পাইকহাটি এলাকার একটি খাদে মরদেহটি ভেসে উঠতে দেখেন স্থানীয় এক কৃষক। নিহত শিক্ষার্থীর নাম হাফিজুর রহমান (২৮)। তিনি গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার পিংগুলিয়া গ্রামের মৃত কাওসার মোল্যার ছেলে এবং বোয়ালমারী ইনস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজির সপ্তম সেমিস্টারের শিক্ষার্থী ছিলেন। দুর্ঘটনার দিন তিনি ফাইনাল পরীক্ষা দিতে ফরিদপুর যাচ্ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার পাইকহাটি এলাকায় বিদ্যুতের সাব-স্টেশনের সামনে একটি যাত্রীবাহী বাস ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায় এবং অন্তত ২০ জন যাত্রী আহত হন। ঘটনার পরদিন ক্রেন ব্যবহার করে দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হয়। সে সময় ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকায় তল্লাশি চালানো হলেও তখন কোনো নিখোঁজ ব্যক্তির সন্ধান পাওয়া যায়নি।
বুধবার সকালে দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি যেখানে পড়েছিল, সেই খাদে মরদেহটি ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করেন। স্বজনরা মরদেহটি হাফিজুর রহমানের বলে শনাক্ত করেছেন। এর আগে নিখোঁজের ঘটনায় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরিও (জিডি) করা হয়েছিল বলে জানা গেছে।
নিহত শিক্ষার্থীর চাচা মোশারেফ মোল্যা জানান, সোমবার সকালে পরীক্ষা দেওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফেরেননি হাফিজুর। বোয়ালমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, সোমবার বাস ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষের পর যাত্রীবাহী বাসটি খাদে পড়ে যায়। ধারণা করা হচ্ছে, হাফিজুর রহমান বাসের নিচে পানিতে চাপা পড়ে ছিলেন, যে কারণে উদ্ধার অভিযানের সময় তাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
সূত্র: Daily Amar Desh






























